ঢাবিতে ‘ইয়ুথ এমপ্লয়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি এবং শিল্পখাতের সঙ্গে বাস্তব সংযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো “ইয়ুথ এমপ্লয়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬”।
শনিবার (১৬ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং স্কিল জবসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “স্কিল ইজ দ্য ফিউচার”।
তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত করা, শিল্পখাতের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেওয়া এবং দক্ষতাভিত্তিক পেশাজীবন গঠনে সহায়তা করাই ছিল এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সিইও, হিউম্যান রিসোর্স (এইচআর) বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করে তরুণদের জন্য বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সামিটের উদ্বোধনী ও বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর
দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি এবং শিল্পখাতের সঙ্গে বাস্তব সংযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো “ইয়ুথ এমপ্লয়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬”।
শনিবার (১৬ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং স্কিল জবসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “স্কিল ইজ দ্য ফিউচার”।
তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত করা, শিল্পখাতের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেওয়া এবং দক্ষতাভিত্তিক পেশাজীবন গঠনে সহায়তা করাই ছিল এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সিইও, হিউম্যান রিসোর্স (এইচআর) বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করে তরুণদের জন্য বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সামিটের উদ্বোধনী ও বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানসহ বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। তারা ভবিষ্যৎ দক্ষতা, পেশাজীবন প্রস্তুতি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং শিল্পখাতের প্রত্যাশা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও অধিবেশন পরিচালনা করেন।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কি-নোট সেশন ও ক্যারিয়ার টক, মাস্টারক্লাস ও লিডারশিপ সেশন এবং “মিট দ্য লিডারস” শীর্ষক বিশেষ এইচআর লিডার প্যানেল আলোচনা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সিভি কালেকশন ও মক ইন্টারভিউয়ের সুযোগ, কর্পোরেট গেমিং, ম্যাজিক শো এবং নেটওয়ার্কিং ও ক্যারিয়ার গাইডেন্স কার্যক্রমের ব্যবস্থা ছিল। এসব সেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব কর্মজীবনের প্রস্তুতি ও নেতৃত্ব দক্ষতা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করেন।
সম্মেলনে বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি উপস্থাপনের পাশাপাশি দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পায়। এর মাধ্যমে একদিকে তরুণদের জন্য যেমন কর্মসংস্থান ও যোগাযোগ বিস্তারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোও ভবিষ্যৎ দক্ষ জনবল খুঁজে নেওয়ার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম পেয়েছে।
দেশজুড়ে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত প্রায় ৪০০ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশী এ আয়োজনে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তারা বিশেষ এই সেশনগুলো থেকে প্রশিক্ষণ, সনদ, যোগাযোগ বিস্তার (নেটওয়ার্কিং) এবং পেশাজীবন উন্নয়নের নানামুখী সুযোগ গ্রহণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “ইয়ুথ এমপ্লয়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬ শুধুমাত্র একটি সাধারণ আয়োজন নয়; এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে তরুণরা শিখবে, কর্পোরেট দুনিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত হবে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সঠিক পথ খুঁজে পাবে।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডাকসু ও স্কিল জবসের এ যৌথ আয়োজন দেশের তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে কর্পোরেট খাতের দূরত্ব ঘুচিয়ে একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।