ঢাবিতে ছাত্রীহলের ‘হয়রানিমূলক’ নিয়ম প্রত্যাহারের দাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীহলগুলোতে বিদ্যমান ‘হয়রানিমূলক ও অযৌক্তিক’ নিয়ম-কানুন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ন্যায্য প্রবেশাধিকার ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ছাত্রীদের হলগুলোর প্রতিনিধিরা।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রীহলে এমন কিছু নিয়ম ও প্রশাসনিক চর্চা চালু রয়েছে, যা তাদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। নিরাপত্তার নামে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ, নির্ধারিত সময়ের পর হলে প্রবেশে জটিলতা এবং নিকটাত্মীয়দের প্রবেশে অযৌক্তিক বাধার কারণে নারী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করা হয়।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো- বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদর্শনের মাধ্যমে আবাসিক ও অনাবাসিক সব নারী শিক্ষার্থীর ছাত্রীহলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা; মেইন গেটের প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধি এবং বৈধ পরিচয়পত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীহলগুলোতে বিদ্যমান ‘হয়রানিমূলক ও অযৌক্তিক’ নিয়ম-কানুন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ন্যায্য প্রবেশাধিকার ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ছাত্রীদের হলগুলোর প্রতিনিধিরা।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রীহলে এমন কিছু নিয়ম ও প্রশাসনিক চর্চা চালু রয়েছে, যা তাদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। নিরাপত্তার নামে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ, নির্ধারিত সময়ের পর হলে প্রবেশে জটিলতা এবং নিকটাত্মীয়দের প্রবেশে অযৌক্তিক বাধার কারণে নারী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করা হয়।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো- বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদর্শনের মাধ্যমে আবাসিক ও অনাবাসিক সব নারী শিক্ষার্থীর ছাত্রীহলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা; মেইন গেটের প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধি এবং বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে যেকোনো সময় লেট গেট দিয়ে হলে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করা, পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে হল থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়া হয়রানিমুক্ত করা; এবং আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার শর্তে তাদের মা ও বোনদের হলের অভ্যন্তরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান জেরিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগামী সাত দিনের মধ্যে এসব অযৌক্তিক নিয়ম প্রত্যাহার না করলে আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব।’
এ সময় কুয়েত মৈত্রী হল সংসদের ভিপি রাফিয়া রেহনুমা হৃদি বলেন, ‘যুগের পর যুগ ধরে চলা এসব অযৌক্তিক কড়াকড়ি নারীদের বন্দী করে রাখার মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। অবিলম্বে এসব বৈষম্যমূলক ও হয়রানিমূলক নিয়ম প্রত্যাহার করতে হবে।’
নারী শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির যৌক্তিকতা বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় ন্যায্য অধিকার আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।