ঢাবিতে জোরাল হচ্ছে ‘নীল দল’ নিষিদ্ধের দাবি, যে কোনো সময় সিদ্ধান্ত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দল’-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় আলোচনায় উঠতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নীল দলকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই আসতে পারে বলেও তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন। মঙ্গলবারের সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভায় নীল দলকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা’ ব্যানারে দেওয়া ওই স্মারকলিপিতে নীল দলকে নিষিদ্ধ করার দাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দল’-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
বিষয়টি আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় আলোচনায় উঠতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নীল দলকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই আসতে পারে বলেও তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মঙ্গলবারের সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভায় নীল দলকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা’ ব্যানারে দেওয়া ওই স্মারকলিপিতে নীল দলকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছে, এমন অভিযোগে ১২৫ জন শিক্ষকের একটি তালিকাও উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?