ঢাবির ফুটপাতে পড়ে ছিল নবজাতকের মরদেহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এ এফ রহমান হল ও ড. মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আবাসিক এলাকার মধ্যবর্তী ফুটপাত থেকে একদিন বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক কন্যা নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শাহবাগ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন ময়লার ভাগাড়ে মিললো নবজাতকের মরদেহ নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিললো রাজমিস্ত্রীর ঘরে, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারক কুমার হালদার জানান, বুধবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে ফুটপাতে একটি সাদা রঙের বাজারের ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ওই নবজাতককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। এসআই তারক কুমার আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা নবজাতকটিকে মৃত অবস্থায় সেখানে ফেলে রেখে গেছে। তার পরিচয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এ এফ রহমান হল ও ড. মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আবাসিক এলাকার মধ্যবর্তী ফুটপাত থেকে একদিন বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক কন্যা নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শাহবাগ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়লার ভাগাড়ে মিললো নবজাতকের মরদেহ

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিললো রাজমিস্ত্রীর ঘরে, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারক কুমার হালদার জানান, বুধবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে ফুটপাতে একটি সাদা রঙের বাজারের ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ওই নবজাতককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই তারক কুমার আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা নবজাতকটিকে মৃত অবস্থায় সেখানে ফেলে রেখে গেছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
কেএজেডআইএ/এমএমকে
What's Your Reaction?