ঢামেকের ছাত্রী কমনরুম থেকে 'ডাক্তার' সাজে টিকটকার আটক
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ছাত্রী কমনরুম থেকে অ্যাপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ মনিকা আক্তার মিতু নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। কলেজ আইডিকার্ডে তার নাম নুপুর ইসলাম জান্নাত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ২টার দিকে তাকে আটক করা হয়। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুলিশে দেওয়া হয়। মিতু বলেন, তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এলাকায়। বাবা মৃত মমিন আলী। বর্তমানে লালবাগে থাকেন। এসএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা করেননি। তবে ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়ার। তাই এক মাস ধরে মেডিকেল কলেজে যাতায়াত শুরু করেন। তবে কখনো ক্লাসরুমে ঢোকার সুযোগ পাননি। মনিকা আরও জানান, নীলক্ষেত থেকে আইডি কার্ড বানিয়ে সেখানে নাম দিয়েছেন নুপুর ইসলাম জান্নাত। তবে আসল নাম মনিকা আক্তার মিতু। মূলত তিনি মোবাইলে টিকটক করে বলে জানান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, এক মাস ধরে তিনি কলেজের ছাত্রী কমনরুমে আসা যাওয়া শুরু করেন। তবে কয়েক দিন ধরে কয়েকজন ছাত্রীর নজরে আসে। আজকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ছাত্রী কমনরুম থেকে অ্যাপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ মনিকা আক্তার মিতু নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। কলেজ আইডিকার্ডে তার নাম নুপুর ইসলাম জান্নাত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ২টার দিকে তাকে আটক করা হয়। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুলিশে দেওয়া হয়।
মিতু বলেন, তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এলাকায়। বাবা মৃত মমিন আলী। বর্তমানে লালবাগে থাকেন। এসএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা করেননি। তবে ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়ার। তাই এক মাস ধরে মেডিকেল কলেজে যাতায়াত শুরু করেন। তবে কখনো ক্লাসরুমে ঢোকার সুযোগ পাননি।
মনিকা আরও জানান, নীলক্ষেত থেকে আইডি কার্ড বানিয়ে সেখানে নাম দিয়েছেন নুপুর ইসলাম জান্নাত। তবে আসল নাম মনিকা আক্তার মিতু। মূলত তিনি মোবাইলে টিকটক করে বলে জানান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, এক মাস ধরে তিনি কলেজের ছাত্রী কমনরুমে আসা যাওয়া শুরু করেন। তবে কয়েক দিন ধরে কয়েকজন ছাত্রীর নজরে আসে। আজকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে কলেজে আসি। এরপর ওই ভুয়া শিক্ষার্থীকে পাই। তার কাছ থেকে একটি অ্যাপ্রোন, একটি স্টেথিসকোপ ও একটি কলেজের আইডি কার্ড পাওয়া গেছে। তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
What's Your Reaction?