তদন্ত জোরদারে অবসরপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ
দুর্নীতির অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করতে অবসরপ্রাপ্ত এক কাস্টমস কর্মকর্তার আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (৪ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আদালত সূত্র জানিয়েছে, কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেটের সাবেক সহকারী কমিশনার ভূইয়া মফিজুর রহমানের (৬৩) বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির স্থায়ী অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ড জব্দ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় অসাধু উপায়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রায় ১৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে আয়কর নথিতে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রায় ১ কোটি
দুর্নীতির অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করতে অবসরপ্রাপ্ত এক কাস্টমস কর্মকর্তার আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৪ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেটের সাবেক সহকারী কমিশনার ভূইয়া মফিজুর রহমানের (৬৩) বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির স্থায়ী অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ড জব্দ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় অসাধু উপায়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রায় ১৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে আয়কর নথিতে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন।
একই সঙ্গে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদক আরও জানায়, ভূইয়া মফিজুর রহমান নিয়মিত আয়কর দাতা হওয়ায় তার প্রকৃত আয় ও সম্পদের উৎস যাচাইয়ে আয়কর নথিপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব আয়কর রেকর্ড জব্দ করা জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?