তরিকুল হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তরিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়াসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার বাকি ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে দুজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান, তার ভাই ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়া, সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার মাজেম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং জেছারত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মজিদ ইতোমধ্যে মারা গেছেন। এপিপি শামসুজ্জোহা শাহানশাহ বলেন, ১৭ বছর আগে দায়ের হওয়া এ হত্যা মামলা

তরিকুল হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তরিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়াসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার বাকি ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে দুজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান, তার ভাই ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়া, সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার মাজেম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং জেছারত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মজিদ ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

এপিপি শামসুজ্জোহা শাহানশাহ বলেন, ১৭ বছর আগে দায়ের হওয়া এ হত্যা মামলায় মোট ১৪ জন আসামির মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামকে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পর নিহতের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে রায়গঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow