তরুণ রাজনীতির নতুন দিগন্ত, সংরক্ষিত আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছাত্রদলের নওরীন
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক জান্নাতুল নওরীন উর্মি।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এই মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়ায় নওরীন বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনকে কেবল একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বাস্তবধর্মী সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। ফলে সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব প্রায় ২০ শতাংশ। অথচ বিশ্বে গড় প্রতিনিধিত্ব আরও বেশি। এই বাস্তবতায় সংরক্ষিত আসন নারীদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।’
তিনি বলেন, দেশের সামাজিক কাঠামোতে সাধারণ আসনে নির্বাচন করতে যে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সাংগঠনিক শক্তি প্রয়োজন, তা তৃণমূলের অনেক নারীর নাগালের বাইরে। ‘এই প্রেক্ষাপটে সংরক্ষিত আসন নারীদের সংসদীয় রাজনীতি, নীতি নির্ধারণ এবং নেতৃত্ব বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে।
এমপি হতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক জান্নাতুল নওরীন উর্মি।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এই মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়ায় নওরীন বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনকে কেবল একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বাস্তবধর্মী সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। ফলে সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব প্রায় ২০ শতাংশ। অথচ বিশ্বে গড় প্রতিনিধিত্ব আরও বেশি। এই বাস্তবতায় সংরক্ষিত আসন নারীদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।’
তিনি বলেন, দেশের সামাজিক কাঠামোতে সাধারণ আসনে নির্বাচন করতে যে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সাংগঠনিক শক্তি প্রয়োজন, তা তৃণমূলের অনেক নারীর নাগালের বাইরে। ‘এই প্রেক্ষাপটে সংরক্ষিত আসন নারীদের সংসদীয় রাজনীতি, নীতি নির্ধারণ এবং নেতৃত্ব বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে।
এমপি হতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নওরীন বলেন, ‘দীর্ঘ একযুগ বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে তিনি মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। নারীদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে গিয়ে বুঝেছি সংসদে কার্যকর প্রতিনিধিত্ব ছাড়া তাদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা কঠিন।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘মেক্সিকোতে পারিটি আইন কার্যকর হওয়ার পর মাতৃমৃত্যু কমেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর অংশগ্রহণ বাড়লে অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। অথচ বাংলাদেশে এখনো মাতৃমৃত্যু ও নারীর প্রতি সহিংসতার হার উদ্বেগজনক।’
সংসদে নির্বাচিত হলে নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি ও স্বরাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটিগুলোতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি নারী অধিকার ও সমঅধিকার নিশ্চিতে প্রাইভেট মেম্বার বিল উত্থাপন এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল বাজেট প্রণয়নে ভূমিকা রাখার কথাও জানান নওরীন।
তিনি আরও বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব সংসদে নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত করতে তাদের অংশগ্রহণ জরুরি।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তরুণ ও নারী নেতৃত্বকে সামনে আনার উদ্যোগের প্রতিও তিনি আস্থা প্রকাশ করেন।