তাইওয়ানে তৎপর মার্কিন বিশেষ বাহিনী, চীন-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা চরমে
তাইওয়ানের তাওইউয়ানে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর (স্পেশাল ফোর্স) সদস্যদের সামরিক তৎপরতা দেখা গেছে। দ্বীপটিতে থাকা ঘাঁটিতে স্বল্পমেয়াদি রোটেশনাল মোতায়েন করা ছাড়াঁটি নিয়মিত কার্যক্রমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। তাওইউয়ানে অবস্থিত উহান ক্যাম্প থেকে প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে এ তৎপরতা দেখা গেছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন। উহান ক্যাম্পটি মূলত তাইওয়ান সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমান্ডের সদর দপ্তর। এই ক্যাম্পেই তাইওয়ানের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী এলিট ইউনিটগুলোর অবস্থান। তাই এই ঘাঁটিটি মার্কিন বিশেষ বাহিনীর মোতায়েনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চীনের মূল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (PRC) এবং তাইওয়ান শাসনকারী রিপাবলিক অব চায়নার (ROC) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধ চলে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের মোতায়েন ও সামরিক তৎপরতা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এক চীন’ নীতি অনুসরণ করে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে (PRC) চীনের একমাত্র বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দিলে
তাইওয়ানের তাওইউয়ানে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর (স্পেশাল ফোর্স) সদস্যদের সামরিক তৎপরতা দেখা গেছে। দ্বীপটিতে থাকা ঘাঁটিতে স্বল্পমেয়াদি রোটেশনাল মোতায়েন করা ছাড়াঁটি নিয়মিত কার্যক্রমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। তাওইউয়ানে অবস্থিত উহান ক্যাম্প থেকে প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে এ তৎপরতা দেখা গেছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন।
উহান ক্যাম্পটি মূলত তাইওয়ান সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমান্ডের সদর দপ্তর। এই ক্যাম্পেই তাইওয়ানের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী এলিট ইউনিটগুলোর অবস্থান। তাই এই ঘাঁটিটি মার্কিন বিশেষ বাহিনীর মোতায়েনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চীনের মূল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (PRC) এবং তাইওয়ান শাসনকারী রিপাবলিক অব চায়নার (ROC) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধ চলে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের মোতায়েন ও সামরিক তৎপরতা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এক চীন’ নীতি অনুসরণ করে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে (PRC) চীনের একমাত্র বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও তাইওয়ানের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও যৌথ সামরিক কার্যক্রমের কঠোর বিরোধিতা করে আসছে বেইজিং।
ভিডিও প্রকাশের পর বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে তাইপেতে একটি যৌথ ফায়ারপাওয়ার সমন্বয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় তাইওয়ানের সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্বাচনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করছে মার্কিন বাহিনী।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে এটিএসিএএমএস (ATACMS) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, তাইওয়ান প্রণালির আশপাশে, বিশেষ করে জাপানের ওকিনাওয়াতে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেখানে মার্কিন বিশেষ বাহিনী আকাশপথে অনুপ্রবেশ (এয়ারিয়াল ইনসার্শন) মহড়া পরিচালনা করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন উপস্থিতি বাড়লেও তাইওয়ান প্রণালিতে সামরিক সক্ষমতার ভারসাম্য ক্রমেই মূল ভূখণ্ড চীনের পক্ষে ঝুঁকছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধজাহাজ, পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর প্রেক্ষাপটে জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে চীনের জে-২০ স্টেলথ যুদ্ধবিমানকে তাইওয়ানের পিংতুং বিমানঘাঁটির কাছাকাছি উড়তে দেখা গেছে। এর ফলে তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
কেএম
What's Your Reaction?