তারকা হয়েও পুরো বিশ্বকাপ বেঞ্চে বসে কেটেছে যে ফুটবলারদের
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পাওয়া যেকোনো ফুটবলারের জন্যই বড় অর্জন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে এমন কয়েকজন পরিচিত তারকা ছিলেন, যারা পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। কোচের কৌশল, দলে তীব্র প্রতিযোগিতা কিংবা পরিস্থিতির কারণে তাদের পুরো আসরই কেটেছে বেঞ্চে বসে। টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের সব মিলিয়ে ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৯৮ জন এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। যাদের মধ্যে ৬৬ জন ছিলেন গোলকিপার।
সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে বেঞ্চে বসে কাটানো তারকা ফুটবলাদের মধ্যে ছিলেন
মার্টিন জুবিমেন্দি (স্পেন)
ইউরোপের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত হলেও স্পেনের শিরোপাজয়ী অভিযানে তিনি এক মিনিটও খেলেননি। মাঝমাঠে রদ্রি ও অন্যদের দারুণ ফর্মের কারণে সুযোগ মেলেনি।
দাভিদ রায়া (স্পেন)
উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনালের এই কিপারকে পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে কাটাতে হয়।
ভিক্টর মুনিয়োজ (স্পেন)
চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে খেলতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত না খেলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন।
আলেহান্দ্রো
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পাওয়া যেকোনো ফুটবলারের জন্যই বড় অর্জন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে এমন কয়েকজন পরিচিত তারকা ছিলেন, যারা পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। কোচের কৌশল, দলে তীব্র প্রতিযোগিতা কিংবা পরিস্থিতির কারণে তাদের পুরো আসরই কেটেছে বেঞ্চে বসে। টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের সব মিলিয়ে ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৯৮ জন এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। যাদের মধ্যে ৬৬ জন ছিলেন গোলকিপার।
সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে বেঞ্চে বসে কাটানো তারকা ফুটবলাদের মধ্যে ছিলেন
মার্টিন জুবিমেন্দি (স্পেন)
ইউরোপের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত হলেও স্পেনের শিরোপাজয়ী অভিযানে তিনি এক মিনিটও খেলেননি। মাঝমাঠে রদ্রি ও অন্যদের দারুণ ফর্মের কারণে সুযোগ মেলেনি।
দাভিদ রায়া (স্পেন)
উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনালের এই কিপারকে পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে কাটাতে হয়।
ভিক্টর মুনিয়োজ (স্পেন)
চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে খেলতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত না খেলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন।
আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো (স্পেন)
মার্ক কুকুরেয়া দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় গ্রিমালদোকে না খেলেই বিশ্বজয়ের ট্রফি স্পর্শ করতে হয়।
আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো (স্পেন)
মার্ক কুকুরেয়া দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় গ্রিমালদোকে না খেলেই বিশ্বজয়ের ট্রফি স্পর্শ করতে হয়।
কোবি মাইনু (ইংল্যান্ড)
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তরুণ মিডফিল্ডারকে নিয়ে প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টে তিনি বেঞ্চেই ছিলেন এবং কোনো ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি।
জেমস ট্র্যাফোর্ড (ইংল্যান্ড)
ইংল্যান্ডের তৃতীয় গোলকিপার হিসেবে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি।
জোয়াও নেভেস (পর্তুগাল)
পর্তুগালের মিডফিল্ডে অভিজ্ঞ ও নিয়মিত খেলোয়াড়দের ভিড়ে জোয়াও নেভেস সুযোগ পাননি। পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই তাকে বদলির বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে।
গনসালো ইনাসিও (পর্তুগাল)
রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগার নির্ভরযোগ্যতার কারণে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।
রাসমুস হয়লুন্ড (ডেনমার্ক)
দলের অন্যতম পরিচিত স্ট্রাইকার হলেও কৌশলগত সিদ্ধান্তের কারণে তিনি কোনো ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি বলে টুর্নামেন্ট-পরবর্তী পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
এনগোলো কান্তে (ফ্রান্স)
২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী তারকা হওয়া সত্ত্বেও কোচ দিদিয়ে দেশম তাকে টুর্নামেন্টের ৮টি ম্যাচের একটিতেও মাঠে নামাননি।
ব্রেমার (ব্রাজিল)
গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওস সেন্ট্রাল ডিফেন্সে নিয়মিত থাকায় জুভেন্টাসের এই ডিফেন্ডার সুযোগ পাননি।
২০২৬ বিশ্বকাপে এমন আরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ছিলেন, যারা ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে থাকলেও এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শূন্য মিনিট খেলা সবচেয়ে মূল্যবান ২০ ফুটবলারের সম্মিলিত বাজারমূল্য ছিল প্রায় ২৬২ মিলিয়ন ইউরো।