তারাবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ, সকালে মিললো শিশুর মরদেহ

রাজশাহীর পবা উপজেলার ধানক্ষেত থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার কর্ণহার থানার ধরমপুর গ্রামে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশু মো. আদিল (১১) ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানার ছেলে। কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, রোববার রাতে দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় আদিব। কিন্তু রাত পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সাখাওয়াত হোসেন/এফএ/জেআইএম

তারাবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ, সকালে মিললো শিশুর মরদেহ

রাজশাহীর পবা উপজেলার ধানক্ষেত থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার কর্ণহার থানার ধরমপুর গ্রামে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু মো. আদিল (১১) ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানার ছেলে। কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি বলেন, রোববার রাতে দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় আদিব। কিন্তু রাত পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাখাওয়াত হোসেন/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow