তালতলীতে বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাটল, ঝুঁকিতে ১৫ গ্রামের মানুষ

বরগুনার তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া সংলগ্ন পায়রা নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধ সংলগ্ন নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫ টি গ্রামের মানুষ। সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পায়রা নদীর জোয়ারের পানির প্রবল চাপে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া সংলগ্ন পায়রা নদীর বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধের কিছু অংশ ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধটি ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়বে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া, বড় অঙ্কুজান, নলবুনিয়া ও আগাপাড়াসহ ১৫ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং মাছের ঘের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার, সেলিম মাতুব্বর ও হাসিনা বেগম বলেন, 'প্রতি বছরই বাঁধ মেরামত হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। এবার যেভাবে ফাটল ধরেছে, আমরা এখন আতঙ্কে রাতে ঘুমাতে পারছি না যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়তে পারে। তাই দ্রুত টেকসই বাঁধ নি

তালতলীতে বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাটল, ঝুঁকিতে ১৫ গ্রামের মানুষ

বরগুনার তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া সংলগ্ন পায়রা নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধ সংলগ্ন নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫ টি গ্রামের মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পায়রা নদীর জোয়ারের পানির প্রবল চাপে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া সংলগ্ন পায়রা নদীর বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধের কিছু অংশ ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধটি ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়বে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া, বড় অঙ্কুজান, নলবুনিয়া ও আগাপাড়াসহ ১৫ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং মাছের ঘের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।

এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার, সেলিম মাতুব্বর ও হাসিনা বেগম বলেন, 'প্রতি বছরই বাঁধ মেরামত হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। এবার যেভাবে ফাটল ধরেছে, আমরা এখন আতঙ্কে রাতে ঘুমাতে পারছি না যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়তে পারে। তাই দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাই।'

এবিষয়ে তালতলী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'ইতিমধ্যে পানিউন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অতিদ্রুত রিং বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।'

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow