তালাবদ্ধ ঘরে পড়েছিল গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ একটি ঘর থেকে তানিয়া আক্তার (২২) নামের এক গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নাসিক ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জলকুড়ি পশ্চিমপাড়া মাদবর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তানিয়া পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী থানার শাহ আলমের মেয়ে। পুলিশ জানায়, স্বামী সোহাগ ওরফে জুলহাসকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। মৃত্যুর আগের রাত পর্যন্ত প্রতিবেশীরা স্বামীকে নিজ বাসায় দেখতে পেলেও তানিয়ার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন। ফলে মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীকে সন্দেহ করা হচ্ছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের স্বামীর কোনো সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। এছাড়াও প্রতিবেশীদের বরাতে ভিকটিম শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে। মো. আকাশ/এএইচ/এএসএম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ একটি ঘর থেকে তানিয়া আক্তার (২২) নামের এক গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নাসিক ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জলকুড়ি পশ্চিমপাড়া মাদবর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তানিয়া পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী থানার শাহ আলমের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, স্বামী সোহাগ ওরফে জুলহাসকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। মৃত্যুর আগের রাত পর্যন্ত প্রতিবেশীরা স্বামীকে নিজ বাসায় দেখতে পেলেও তানিয়ার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন। ফলে মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীকে সন্দেহ করা হচ্ছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের স্বামীর কোনো সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। এছাড়াও প্রতিবেশীদের বরাতে ভিকটিম শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।
মো. আকাশ/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?