তালাবদ্ধ বাসা থেকে আসছিল দুর্গন্ধ, দরজা ভেঙে মিললো তরুণীর গলিত মরদেহ

রাজধানীর কদমতলীতে তালাবদ্ধ বাসার দরজা ভেঙে এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত তরুণী শারমিন আক্তার শেলী (২৭) আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি জুরাইন শ্যামপুরের পূর্ব ধোলাইপাড়ের শাহ আলম হাওলাদারের মেয়ে। তিনি কদমতলীর কমিশনার মোড়ে ৯৮৪/১ নম্বর বাসায় স্বামীর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। বাসার মালিক আঞ্জুমান আরা ডলি বলেন, ‘ছয় মাস আগে মো. মামুন ও শারমিন আক্তার শেলী স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কাবিননামা দেখিয়ে আমার বাসা ভাড়া নেয়। আমাদের বাড়ি বরিশালে। আমি গ্রামে থাকি। দুই মাস পরপর এসে বাসাভাড়া নিয়ে যাই। এর চেয়ে বেশি আমি কিছু বলতে পারবো না।’ এ বিষয়ে কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মুশাহিদুল ইসলাম জানান, তারা জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গিয়ে চতুর্থ তলার বাসায় দরজা তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সেই সঙ্গে দেখেন কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ আসছে। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে মেঝেতে এক নারীর গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা উদ্ধার করে

তালাবদ্ধ বাসা থেকে আসছিল দুর্গন্ধ, দরজা ভেঙে মিললো তরুণীর গলিত মরদেহ

রাজধানীর কদমতলীতে তালাবদ্ধ বাসার দরজা ভেঙে এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত তরুণী শারমিন আক্তার শেলী (২৭) আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি জুরাইন শ্যামপুরের পূর্ব ধোলাইপাড়ের শাহ আলম হাওলাদারের মেয়ে। তিনি কদমতলীর কমিশনার মোড়ে ৯৮৪/১ নম্বর বাসায় স্বামীর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন।

বাসার মালিক আঞ্জুমান আরা ডলি বলেন, ‘ছয় মাস আগে মো. মামুন ও শারমিন আক্তার শেলী স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কাবিননামা দেখিয়ে আমার বাসা ভাড়া নেয়। আমাদের বাড়ি বরিশালে। আমি গ্রামে থাকি। দুই মাস পরপর এসে বাসাভাড়া নিয়ে যাই। এর চেয়ে বেশি আমি কিছু বলতে পারবো না।’

এ বিষয়ে কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মুশাহিদুল ইসলাম জানান, তারা জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গিয়ে চতুর্থ তলার বাসায় দরজা তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সেই সঙ্গে দেখেন কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ আসছে। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে মেঝেতে এক নারীর গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা উদ্ধার করে মর্গে পাঠান।

এসআই মুশাহিদুল বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ওই নারীকে কেউ হত্যা করে দরজা তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। তারপরও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

কেএজেডআইএ/একিউএফ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow