তাহিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ১৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি পরিবারের বসতঘর, গবাদিপশু, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ১৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে পরিবারগুলো দাবি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের মোঃ জাবেদ আলী, আলম মিয়া ও সজিব মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তিনটি পরিবার চারটি ঘরে বসবাস করত। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তে পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। তিনটি পরিবারের সকল সদস্যরা জীবন বাঁচাতে কোনো রকমে বের হতে পারলেও ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। এলাকাবাসী মিলে আগুন নেভাতে পারলেও বাড়িটির ভেতরে থাকা নগদ টাকা, তিনটি গবাদি পশুসহ বিভিন্ন মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসন দ্রুত সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক জাবেদ আলী, আলম মিয়া ও সজি

তাহিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ১৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি পরিবারের বসতঘর, গবাদিপশু, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ১৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে পরিবারগুলো দাবি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের মোঃ জাবেদ আলী, আলম মিয়া ও সজিব মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তিনটি পরিবার চারটি ঘরে বসবাস করত। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তে পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। তিনটি পরিবারের সকল সদস্যরা জীবন বাঁচাতে কোনো রকমে বের হতে পারলেও ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। এলাকাবাসী মিলে আগুন নেভাতে পারলেও বাড়িটির ভেতরে থাকা নগদ টাকা, তিনটি গবাদি পশুসহ বিভিন্ন মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসন দ্রুত সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক জাবেদ আলী, আলম মিয়া ও সজিব মিয়া জানান, হঠাৎ করেই আগুন লেগে যায়। কোনো রকমে সবার জীবন রক্ষা পেলেও আগুনে গোয়াল ঘরে থাকা ৩টি গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, মজুদকৃত ধান-চাল এবং ঘরের আসবাবপত্র ও নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁরা এখন একেবারেই পথে বসে গেছেন এবং খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া জানান, তিনটি কৃষক পরিবার মুহূর্তের মধ্যে নিঃস্ব হয়ে গেল। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। তিনি এই বিপদে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

তাহিরপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow