তাহেরীর মাহফিলে নাম লেখালেন বিএনপির দুই নেতা

হবিগঞ্জের মাধবপুরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মাহফিল। তবে এবার ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতার অংশগ্রহণের খবরে। শনিবার (২৮ মার্চ) উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলঘর গ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সুন্নি ওয়াজ মাহফিল। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। আর এ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রচারিত পোস্টারে বিএনপির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম দেখা যায়। জানা গেছে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহসভাপতি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের। অন্যদিকে সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, মাধবপুর উপজেলা বিএনপির নেতা এবং কবি-লেখক মিনহাজ উদ্দিন কাসেদ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই পরিচিত মুখের এই ধর্মীয় আয়োজনে সম্পৃক্ততার বিষয়টি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এর আগে মুরাদপুরে তাহেরীর একটি মাহফিলকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন

তাহেরীর মাহফিলে নাম লেখালেন বিএনপির দুই নেতা
হবিগঞ্জের মাধবপুরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মাহফিল। তবে এবার ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতার অংশগ্রহণের খবরে। শনিবার (২৮ মার্চ) উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলঘর গ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সুন্নি ওয়াজ মাহফিল। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। আর এ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রচারিত পোস্টারে বিএনপির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম দেখা যায়। জানা গেছে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহসভাপতি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের। অন্যদিকে সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, মাধবপুর উপজেলা বিএনপির নেতা এবং কবি-লেখক মিনহাজ উদ্দিন কাসেদ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই পরিচিত মুখের এই ধর্মীয় আয়োজনে সম্পৃক্ততার বিষয়টি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এর আগে মুরাদপুরে তাহেরীর একটি মাহফিলকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়। এমনকি একটি মাহফিল বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের কাছে অভিযোগও গিয়েছিল। তবে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুর রহমান টিটো বলেন, ধর্মীয় আয়োজনে রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে একত্র হওয়াই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিচয়। এ ধরনের আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও সহনশীলতার বার্তা দেয়। মাহফিলের সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন কাসেদ জানান, বিএনপি সবসময় সহনশীল ও জনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় বক্তা হওয়ায় তাহেরীর মাহফিলে যুক্ত হয়েছেন তিনি। মাহফিলের পরিচালক মুফতি মোজাম্মিল হক মাসুমী বলেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা নাগরিকের অধিকার। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় এই মাহফিল আয়োজন করা হচ্ছে এবং এতে বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষের অংশগ্রহণ ইতিবাচক বার্তা দেবে। পুরোনো বিতর্ক এবং বর্তমান রাজনৈতিক অংশগ্রহণ— সব মিলিয়ে এবারের তাহেরীর মাহফিলকে অনেকেই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে দেখছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow