তিন জেলায় ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা-১১, ময়মনসিংহ-২ এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৯ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। কুমিল্লা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। এদিকে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ এর অধিক প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ

তিন জেলায় ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা-১১, ময়মনসিংহ-২ এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৯ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। কুমিল্লা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। এদিকে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ এর অধিক প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়— ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow