তিন দশক পর ধাড়াইল বিলে পদ্মফুলের হাসি, ভিড় বাড়ছে দর্শনার্থীদের
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর আবারও পদ্মফুলে সেজে উঠেছে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের ধাড়াইল বিল। প্রায় ৩৫ বছর পর হঠাৎ করে পদ্মফুল ফোটায় বিলজুড়ে ফিরে এসেছে হারানো সৌন্দর্য, সৃষ্টি হয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ।
স্থানীয়রা জানান, একসময় পুরো বিলজুড়েই পদ্মফুল ফুটত। সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। শুধু সৌন্দর্যই নয়, পদ্মগাছের সাদা শিকড় সংগ্রহ করে খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করতেন অনেকেই, যা অভাবের সময়ে সহায়ক ছিল।
দীর্ঘ বিরতির পর চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে আবার পদ্মফুল ফুটতে শুরু করে। বর্তমানে বিলের প্রায় এক একর এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই ফুল, যা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আনন্দ ও বিস্ময় তৈরি করেছে।
প্রতিদিনই শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন বিলপাড়ে। স্থানীয়দের ডিঙি নৌকায় চড়ে বিলের মাঝখানে গিয়ে কাছ থেকে পদ্মফুল দেখার সুযোগ পাচ্ছেন তারা, যা ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের অভাবে অনেক দর্শনার্থী ফুল ছিঁড়ে নেওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আউজি
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর আবারও পদ্মফুলে সেজে উঠেছে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের ধাড়াইল বিল। প্রায় ৩৫ বছর পর হঠাৎ করে পদ্মফুল ফোটায় বিলজুড়ে ফিরে এসেছে হারানো সৌন্দর্য, সৃষ্টি হয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ।
স্থানীয়রা জানান, একসময় পুরো বিলজুড়েই পদ্মফুল ফুটত। সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতেন। শুধু সৌন্দর্যই নয়, পদ্মগাছের সাদা শিকড় সংগ্রহ করে খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করতেন অনেকেই, যা অভাবের সময়ে সহায়ক ছিল।
দীর্ঘ বিরতির পর চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে আবার পদ্মফুল ফুটতে শুরু করে। বর্তমানে বিলের প্রায় এক একর এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই ফুল, যা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আনন্দ ও বিস্ময় তৈরি করেছে।
প্রতিদিনই শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন বিলপাড়ে। স্থানীয়দের ডিঙি নৌকায় চড়ে বিলের মাঝখানে গিয়ে কাছ থেকে পদ্মফুল দেখার সুযোগ পাচ্ছেন তারা, যা ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের অভাবে অনেক দর্শনার্থী ফুল ছিঁড়ে নেওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আউজিয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহিদ মিয়া বলেন, ‘৩৫/৩৬ বছর আগে সারা বিলজুড়ে পদ্মফুল ছিল। হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এবার আবার ফুটেছে- এটা আমাদের জন্য বিস্ময়। প্রতিদিন মানুষ আসছে, আমরা নৌকায় ঘুরাচ্ছি। তবে কেউ যদি ফুল না ছিঁড়তো, তাহলে আরও সুন্দর থাকত।’
মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রেজাউল হাসান ভূইয়া সুমন বলেন, অনেক দিন পর এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এটি সংরক্ষণ করা গেলে এলাকার সৌন্দর্য ও সুনাম দুটোই বাড়বে। তিনি জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমূল ইসলাম চৌধুরী জানান, ইউএনও ছুটিতে রয়েছেন। তিনি ফিরে এলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।