তীব্র বিদ্যুৎ সংকট: নিরসনে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন সাংসদ
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) নির্বাচনী এলাকায় চলমান তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ভয়াবহ লোডশেডিং নিরসনের দাবিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জরুরি আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ মো. রবিউল আউয়াল লাভলু। গত শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এই লিখিত আবেদনটি পেশ করা হয়। চিঠিতে এমপি লাভলু তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রায় দুই লাখ গ্রাহকের চরম ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে জোনাল অফিসগুলোতে চাহিদার আনুপাতিক হারে দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।চাহিদা ও সরবরাহের বিশাল ঘাটতি:সংসদ সদস্যের চিঠিতে স্থানীয় বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের বরাত দিয়ে নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই দুই উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ হলেও দৈনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম।নাগরপুর উপজেলা: এই উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার গ্রাহকের বিপরীতে প্রতিদিনের বিদ্যুৎ চাহিদা ২৫ মেগাওয়াট। অথচ সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ থেকে ১০ মেগাওয়াট।দেলদুয়ার উপজেলা: প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক অধ্যুষ
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) নির্বাচনী এলাকায় চলমান তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ভয়াবহ লোডশেডিং নিরসনের দাবিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জরুরি আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ মো. রবিউল আউয়াল লাভলু। গত শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এই লিখিত আবেদনটি পেশ করা হয়। চিঠিতে এমপি লাভলু তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রায় দুই লাখ গ্রাহকের চরম ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে জোনাল অফিসগুলোতে চাহিদার আনুপাতিক হারে দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
চাহিদা ও সরবরাহের বিশাল ঘাটতি:
সংসদ সদস্যের চিঠিতে স্থানীয় বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের বরাত দিয়ে নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই দুই উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ হলেও দৈনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম।
নাগরপুর উপজেলা: এই উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার গ্রাহকের বিপরীতে প্রতিদিনের বিদ্যুৎ চাহিদা ২৫ মেগাওয়াট। অথচ সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ থেকে ১০ মেগাওয়াট।
দেলদুয়ার উপজেলা: প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক অধ্যুষিত এই উপজেলায় দৈনিক চাহিদা ২২ মেগাওয়াট হলেও মিলছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
জনজীবন বিপর্যস্ত, অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে দুই উপজেলা:
আবেদনে সাংসদ উল্লেখ করেন, চলতি তীব্র গরমে দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। একই সাথে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি। নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্ষুদ্র শিল্পকারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়াও সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় কৃষিখাতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আশু পদক্ষেপের দাবি:
সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়াল লাভলু চিঠিতে উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বা তারও কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে সামগ্রিক অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই গণভোগান্তি লাঘবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ ও বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি মো. রবিউল আউয়াল লাভলুর এই উদ্যোগের পর এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত সুফলের আশায় বুক বাঁধছেন।
What's Your Reaction?