তীব্র স্রোতে ভেসে গেল সাঁকো
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরশহরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন বেত্রবতীর কাঠের সাঁকো পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিন দেখা গেছে, সাঁকোটি মাঝ বরাবর ভেঙে গেছে। সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় বেত্রবতীর দুই পাড়ের তীরের মানুষের চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও রোগীরা। জানা গেছে, গত বছর এ সাঁকোটি বর্ষা মৌসুমে তিনবার সংস্কার করা হয়। এমনকি চার দিন আগেও দেড় হাজার টাকা খরচ করে সাঁকোটি সংস্কার করে। দ্রুত অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি স্থায়ী একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার মানুষ। স্থানীয়রা জানান, রাতভর বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে নদীর স্রোত বেড়ে যায়। রোববার ভোরে হঠাৎ করেই কাঠের সাঁকোটি ভেঙে পানির স্রোতে ভেসে গেছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মানুষকে দীর্ঘ পথ ঘুরে নদী পার হতে হচ্ছে। কলারোয়া বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাবু বলেন, এ সাঁকোটি তাদের দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র সহজ মাধ্যম। বাজারগামী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সকলেই এ সাঁকো ব্যবহার করেন। এখন সাঁকোটি ভেঙে য
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরশহরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন বেত্রবতীর কাঠের সাঁকো পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিন দেখা গেছে, সাঁকোটি মাঝ বরাবর ভেঙে গেছে। সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় বেত্রবতীর দুই পাড়ের তীরের মানুষের চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও রোগীরা।
জানা গেছে, গত বছর এ সাঁকোটি বর্ষা মৌসুমে তিনবার সংস্কার করা হয়। এমনকি চার দিন আগেও দেড় হাজার টাকা খরচ করে সাঁকোটি সংস্কার করে। দ্রুত অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি স্থায়ী একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, রাতভর বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে নদীর স্রোত বেড়ে যায়। রোববার ভোরে হঠাৎ করেই কাঠের সাঁকোটি ভেঙে পানির স্রোতে ভেসে গেছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মানুষকে দীর্ঘ পথ ঘুরে নদী পার হতে হচ্ছে।
কলারোয়া বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাবু বলেন, এ সাঁকোটি তাদের দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র সহজ মাধ্যম। বাজারগামী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সকলেই এ সাঁকো ব্যবহার করেন। এখন সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কলারোয়া পৌর সদরের গদখালি গ্রামের বাসিন্দা চাঁদ আলি বলেন, প্রতিবার বর্ষা এলেই এই কাঠের সাঁকোটি ঝুঁকির মধ্যে থাকে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতুর দাবি জানিয়ে আসছি; কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী হাবিবুল্লাহ বলেন, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের যাতায়াত কমে যাবে। এতে আমাদের ব্যবসার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন বলেন, এ কাঠের সাঁকোটি সারাবছর ঝুঁকির মধ্যে থাকে। সাঁকোটি পাকা সেতু হিসেবে পরিণত করার দাবি জানাচ্ছি। কাঠের এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটির ওপর দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষসহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করতেন।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম বলেন, এখন নদীতে যে স্রোত আর পানি, তাতে এখন সেতু তৈরি করা সম্ভব হবে না। পানি কমে গেলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।
What's Your Reaction?