তুমি এটা করতে পারো না-স্মিথের ‘টি’ সংকেত নিয়ে কটাক্ষ ওয়ার্নারের

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং যখন চাপে, তখনই স্টিভ স্মিথকে ঘিরে তৈরি হলো অদ্ভুত এক ঘটনা। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা আউট দেওয়ার আগেই রিভিউয়ের সংকেত দেওয়ায় স্মিথের সমালোচনা করেছেন তার সাবেক সতীর্থ ডেভিড ওয়ার্নার। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৫ আগস্ট) টেস্টের ১৪তম ওভারের প্রথম বলে। তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২ উইকেটে ৪০ রান। এবাদত হোসেনের করা ফুল ও ওয়াইড বলটি ড্রাইভ করতে যান স্মিথ। বল ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্পষ্ট শব্দ শোনা যায়। সঙ্গে সঙ্গে উইকেটরক্ষক লিটন দাস ও এবাদত উদযাপন শুরু করেন। আম্পায়ার ধর্মসেনা তখনো আউটের জন্য আঙুল তোলেননি। এর মধ্যেই স্মিথ নিজে থেকেই ‘টি’ সংকেত দেখিয়ে রিভিউ চেয়ে বসেন। ধারাভাষ্যে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান ওয়ার্নার। তিনি বলেন, ‘স্টিভ যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটা আমার একদম ভালো লাগেনি। তুমি এটা করতে পারো না।’ সহ-ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ান বলেন, স্মিথ জানতেন তিনি আউট নন এবং তিনি সবচেয়ে দ্রুত রিভিউগুলোর একটি নিয়েছেন। এরপরও ওয়ার্নার নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, এটা করা যায়!’ আরেক ধারাভাষ্যকার কেরি ও’কিফও ঘটনাটিকে টেস্ট ক্রিকে

তুমি এটা করতে পারো না-স্মিথের ‘টি’ সংকেত নিয়ে কটাক্ষ ওয়ার্নারের

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং যখন চাপে, তখনই স্টিভ স্মিথকে ঘিরে তৈরি হলো অদ্ভুত এক ঘটনা। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা আউট দেওয়ার আগেই রিভিউয়ের সংকেত দেওয়ায় স্মিথের সমালোচনা করেছেন তার সাবেক সতীর্থ ডেভিড ওয়ার্নার।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৫ আগস্ট) টেস্টের ১৪তম ওভারের প্রথম বলে। তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২ উইকেটে ৪০ রান। এবাদত হোসেনের করা ফুল ও ওয়াইড বলটি ড্রাইভ করতে যান স্মিথ। বল ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্পষ্ট শব্দ শোনা যায়। সঙ্গে সঙ্গে উইকেটরক্ষক লিটন দাস ও এবাদত উদযাপন শুরু করেন।

আম্পায়ার ধর্মসেনা তখনো আউটের জন্য আঙুল তোলেননি। এর মধ্যেই স্মিথ নিজে থেকেই ‘টি’ সংকেত দেখিয়ে রিভিউ চেয়ে বসেন।

ধারাভাষ্যে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান ওয়ার্নার। তিনি বলেন, ‘স্টিভ যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটা আমার একদম ভালো লাগেনি। তুমি এটা করতে পারো না।’

সহ-ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ান বলেন, স্মিথ জানতেন তিনি আউট নন এবং তিনি সবচেয়ে দ্রুত রিভিউগুলোর একটি নিয়েছেন। এরপরও ওয়ার্নার নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, এটা করা যায়!’

আরেক ধারাভাষ্যকার কেরি ও’কিফও ঘটনাটিকে টেস্ট ক্রিকেটের বিরল মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘টেস্ট ক্রিকেটে এমন একটি ঘটনা দেখা গেল, যেখানে আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগেই একজন ব্যাটার রিভিউ নিতে চলে গেলেন।’

শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্মিথের ধারণাই সঠিক প্রমাণিত হয়। তিনি আউট ছিলেন না। বল ব্যাটে লাগার শব্দটি আসলে ব্যাট মাটিতে আঘাত করার কারণে হয়েছিল। স্প্লিট-স্ক্রিন রিপ্লে এবং ইকো এজ ডিটেকশন প্রযুক্তিতে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসেও স্মিথ, এবাদত ও ধর্মসেনাকে ঘিরে ঘটেছিল প্রায় একই রকম অদ্ভুত ঘটনা। সেবার এবাদত নিশ্চিত ছিলেন, স্মিথের ব্যাটের কানা লেগে বল উইকেটরক্ষকের হাতে গেছে। স্মিথও মাঠ ছাড়তে শুরু করেছিলেন। কিন্তু ধর্মসেনা আউট দেননি।

বাংলাদেশ রিভিউ নিলে প্রযুক্তিতে কোনো এজ ধরা পড়েনি। তবে পরে স্মিথ নিজেই স্বীকার করেন, বল তার ব্যাটে লেগেছিল।

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ওই ঘটনায় ভাগ্য সহায় ছিল কি না। স্মিথ জবাব দেন, ‘আমার ভাগ্য ভালো ছিল? হ্যাঁ, মনে হচ্ছে তাই। মাঝে মাঝে এমনটা মেনে নিতেই হয়।’

শনিবারের ম্যাচে অবশ্য শেষ পর্যন্ত খুব বেশি দূর যেতে পারেননি স্মিথ। ৮৮ বলে ৪৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থাও বেশ নাজুক। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে তারা বাংলাদেশের চেয়ে ৬৭ রানে পিছিয়ে ছিল। ফলে ম্যাচে বাংলাদেশের দাপটের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow