তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষকে হত্যার হুমকি বিজেপি নেতার
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও টলিউড অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে প্রকাশ্যে মাথা কেটে আনার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে উত্তরপ্রদেশের সিকন্দরাবাদের নগর পালিকা চেয়ারম্যান ও বিজেপি নেতা ডক্টর প্রদীপ দীক্ষিতকে বলতে শোনা যায়, যে সায়নী ঘোষের কাটা মাথা এনে দিতে পারবে, তাকে ১ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
ভিডিওটি সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সায়নী ঘোষ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে ট্যাগ করে সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধি একজন নারী সাংসদের শিরশ্ছেদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করছেন। এটাই কি নিউ ইন্ডিয়ার নারী শক্তির বাস্তব চিত্র?
তিনি আরও বলেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে অভিযুক্ত বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ঘটন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও টলিউড অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে প্রকাশ্যে মাথা কেটে আনার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে উত্তরপ্রদেশের সিকন্দরাবাদের নগর পালিকা চেয়ারম্যান ও বিজেপি নেতা ডক্টর প্রদীপ দীক্ষিতকে বলতে শোনা যায়, যে সায়নী ঘোষের কাটা মাথা এনে দিতে পারবে, তাকে ১ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
ভিডিওটি সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সায়নী ঘোষ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে ট্যাগ করে সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধি একজন নারী সাংসদের শিরশ্ছেদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করছেন। এটাই কি নিউ ইন্ডিয়ার নারী শক্তির বাস্তব চিত্র?
তিনি আরও বলেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে অভিযুক্ত বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সালের একটি বিতর্কিত ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে। ওই সময় সায়নী ঘোষের অ্যাকাউন্ট থেকে শিবলিঙ্গ সম্পর্কিত একটি আপত্তিকর ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। পরে তিনি দাবি করেন, তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল এবং হ্যাকাররাই পোস্টটি দিয়েছিল। অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার পর তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন বলেও জানান।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সিকন্দরাবাদে একটি হিন্দুত্ববাদী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিজেপি নেতা প্রদীপ দীক্ষিত সেই পুরোনো পোস্টের প্রসঙ্গ টেনে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ার পর অবশ্য সুর বদলেছেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। প্রদীপ দীক্ষিত দাবি করেছেন, ভাইরাল ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত করা হয়েছে।
তার ভাষ্য, আমার কণ্ঠস্বর নকল করে ভিডিও বানানো হয়েছে। আমি এমন কোনো মন্তব্য করিনি।
অন্যদিকে জেলা বিজেপি সভাপতি বিকাশ চৌহান বলেছেন, এটি দলের অবস্থান নয়। বিজেপি কখনো এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য সমর্থন করে না।
তবে সব বিতর্কের মধ্যেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন সায়নী ঘোষ।
তিনি বলেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে আমি প্রতিবাদ চালিয়ে যাব। ভয় দেখিয়ে আমাকে চুপ করানো যাবে না।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস