তেল উৎপাদন বাড়াতে পারে ওপেক প্লাস

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমে আসায় তেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ওপেক প্লাস। বিশ্লেষকদের মতে, জোটের সাতটি সদস্য দেশ রোববারের (৫ জুলাই) ভার্চুয়াল বৈঠকে আগস্ট মাসের জন্য অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন কোটা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সৌদি আরব, রাশিয়াসহ ওপেক প্লাসের সাতটি দেশ উৎপাদন নীতি পর্যালোচনায় অনলাইনে বৈঠকে বসছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ধাপে ধাপে আগের উৎপাদন কাটছাঁট প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সুইস ব্যাংক ইউবিএসের পণ্য বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তবে সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন এখনো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার নিচেই রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি ও উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক থেকে মে মাস পর্যন্ত সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের সম্মিলিত উৎপাদন প্রতিদিন প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল কমে যায়। তবে গত ১৭ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ

তেল উৎপাদন বাড়াতে পারে ওপেক প্লাস

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমে আসায় তেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ওপেক প্লাস। বিশ্লেষকদের মতে, জোটের সাতটি সদস্য দেশ রোববারের (৫ জুলাই) ভার্চুয়াল বৈঠকে আগস্ট মাসের জন্য অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন কোটা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

সৌদি আরব, রাশিয়াসহ ওপেক প্লাসের সাতটি দেশ উৎপাদন নীতি পর্যালোচনায় অনলাইনে বৈঠকে বসছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ধাপে ধাপে আগের উৎপাদন কাটছাঁট প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

সুইস ব্যাংক ইউবিএসের পণ্য বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তবে সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন এখনো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার নিচেই রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি ও উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক থেকে মে মাস পর্যন্ত সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের সম্মিলিত উৎপাদন প্রতিদিন প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল কমে যায়।

তবে গত ১৭ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে সমঝোতা হওয়ার পর পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে। সূত্র: এএফপি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow