তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড পরিমাণ মজুত ছাড়ার প্রস্তাব আইইএর

ইরান বনাম ইসরায়েল-মার্কিন যুদ্ধের জেরে বৈশ্বিক তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল মজুত বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, আইইএ\'র সদস্য দেশগুলো যৌথভাবে যে পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার কথা ভাবছে, তা ২০২২ সালে দুই দফায় ছাড়ানো ১৮২ মিলিয়ন ব্যারেলের চেয়েও বেশি হতে পারে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার (১১ মার্চ) নেওয়া হতে পারে। সদস্য দেশগুলোর কেউ আপত্তি না করলে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হবে বলে জানা গেছে। আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতেহ বাইরোল জানান, সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর কাছে বর্তমানে জরুরি পরিস্থিতির জন্য রাষ্ট্রীয় মজুত হিসেবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেল রয়েছে। এছাড়া শিল্পখাতের কাছে আরও প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে। এদিকে জ্বালানি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিডান এনার্জি গ্রুপ–এর তথ্যের বরাতে সিএনবিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তা বিশ্ব তেল সরবরাহের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে, কারণ বিশ্ব

তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড পরিমাণ মজুত ছাড়ার প্রস্তাব আইইএর

ইরান বনাম ইসরায়েল-মার্কিন যুদ্ধের জেরে বৈশ্বিক তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল মজুত বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)।

মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, আইইএ'র সদস্য দেশগুলো যৌথভাবে যে পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার কথা ভাবছে, তা ২০২২ সালে দুই দফায় ছাড়ানো ১৮২ মিলিয়ন ব্যারেলের চেয়েও বেশি হতে পারে।

এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার (১১ মার্চ) নেওয়া হতে পারে। সদস্য দেশগুলোর কেউ আপত্তি না করলে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হবে বলে জানা গেছে।

আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতেহ বাইরোল জানান, সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর কাছে বর্তমানে জরুরি পরিস্থিতির জন্য রাষ্ট্রীয় মজুত হিসেবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেল রয়েছে। এছাড়া শিল্পখাতের কাছে আরও প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে।

এদিকে জ্বালানি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিডান এনার্জি গ্রুপ–এর তথ্যের বরাতে সিএনবিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তা বিশ্ব তেল সরবরাহের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে, কারণ বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়।

এর আগে সবচেয়ে বড় বিঘ্ন ঘটেছিল সুয়েস ক্রাইসিস–এর সময়। তখন বৈশ্বিক তেল রপ্তানির প্রায় ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এছাড়া গালফ যুদ্ধের সময় প্রায় ৯ শতাংশ সরবরাহে প্রভাব পড়েছিল।

এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের মেজর জেনারেল ইব্রাহিম জাবেরি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চললে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল রপ্তানি হয়।

তবে পরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, প্রণালিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়নি কিন্তু সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় অনেক জাহাজ বিশেষ করে তেলবাহী ট্যাংকার এ পথে চলাচল এড়িয়ে যাচ্ছে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow