তেলের বাজারে আগুন
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। রমজানের আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। অগ্রিম টাকা দিয়ে তেল পাচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নবাবগঞ্জ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। খুচরা ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে রমজানকে ঘিরে। কয়েকজন ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রমজান আসলে একটি সিন্ডিকেট চক্র পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে। গত সপ্তাহে খোলা তেল ১শত ৯০ নব্বই টাকা দরে ক্রয় করেছি, আজকে ২শত টাকা আবার কোথাও ২২০ টাকা দাম চাচ্ছে। আমরা সাধারণ ক্রেতারা বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকটের ভোগান্তিতে পড়েছি। খুচরা বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম,তারা পদ বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম করা হচ্ছে। রোজার মাস টার্গেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। অতিরিক্ত দাম দিয়েও সয়াবিন তেল পাইকারি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। গত ৮-১০ দিন ধরে মাঝেমধ্যে কিছু বোতল আসে। খোলা তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক জায়গায় পাওয়া গেলে কেজি প্রতি ১০/১৫ টাকা দাম বেশি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রোজার মাসে সরকারকে কঠোর নজরদারির করতে হবে বলে মনে করেন ক্র
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। রমজানের আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। অগ্রিম টাকা দিয়ে তেল পাচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নবাবগঞ্জ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
খুচরা ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে রমজানকে ঘিরে।
কয়েকজন ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রমজান আসলে একটি সিন্ডিকেট চক্র পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে। গত সপ্তাহে খোলা তেল ১শত ৯০ নব্বই টাকা দরে ক্রয় করেছি, আজকে ২শত টাকা আবার কোথাও ২২০ টাকা দাম চাচ্ছে। আমরা সাধারণ ক্রেতারা বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকটের ভোগান্তিতে পড়েছি।
খুচরা বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম,তারা পদ বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম করা হচ্ছে। রোজার মাস টার্গেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। অতিরিক্ত দাম দিয়েও সয়াবিন তেল পাইকারি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। গত ৮-১০ দিন ধরে মাঝেমধ্যে কিছু বোতল আসে। খোলা তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক জায়গায় পাওয়া গেলে কেজি প্রতি ১০/১৫ টাকা দাম বেশি হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে রোজার মাসে সরকারকে কঠোর নজরদারির করতে হবে বলে মনে করেন ক্রেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, কিছু জায়গায় পণ্যের দাম বাড়ানোর খবর পাওয়া গেছে। আগামীকাল থেকে অভিযান অব্যাহত থাকবে । বাজার মনিটরিং করা হবে। কেউ যদি মজুত বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?