স্বপ্নদোষে কি রোজা ভেঙে যায়

রমজানে রাতের ঘুমে ঘাটতি থাকে। সেজন্য দিনের বেলা কমবেশি ঘুমিয়ে নিতে হয়। এ সময় কারো স্বপ্নদোষও হতে পারে। স্বপ্নদোষে গোসল ফরজ হয়। রোজার কোনো সমস্যা হয় না।  একটি হাদিসে আছে, তিনটি বস্তু রোজা ভঙের কারণ নয়; বমি, শিঙ্গা লাগানো ও স্বপ্নদোষ। (মুসনাদে বাযযার, হাদিস ৫২৮৭; নসবুর রায়াহ ২/৪৪৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/১৭০; জামে তিরমিজি, হাদিস ৭১৯; সুনানে কুবরা, বাইহাকি : ৪/২৬৪) তবে কেউ কেউ মনে করেন, রমজানে দিনের বেলা স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভেঙে যায়। তাদের এই ধারণা সঠিক নয়। সুতরাং রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙ্গা যাবে না।  অবশ্য রমজানের সময় দিনের বেলা সহবাস করা নিষেধ। কেউ যদি দিনের বেলা সহবাস করে, তাহলে উভয়েরই রোজা ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে তাদের কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে।  একটি দীর্ঘ হাদীসে আছে, এক ব্যক্তি রাসুল সা.-এর নিকট এসে বলল, আমি রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি। রাসুল সা. তাকে কাফফারা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি : ৬৭০৯; জামে তিরমিজি : ৭২৪; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৭৪৫৭; মুসনাদে আহমদ ২/২৪১) মুহাম্মাদ ইবনে কা’ব রা. বলেন, রাসুল সা. ওই ব্যক্তিকে (যে স্ত্রীসহবাসে লিপ্ত হয়েছিল)

স্বপ্নদোষে কি রোজা ভেঙে যায়

রমজানে রাতের ঘুমে ঘাটতি থাকে। সেজন্য দিনের বেলা কমবেশি ঘুমিয়ে নিতে হয়। এ সময় কারো স্বপ্নদোষও হতে পারে। স্বপ্নদোষে গোসল ফরজ হয়। রোজার কোনো সমস্যা হয় না। 

একটি হাদিসে আছে, তিনটি বস্তু রোজা ভঙের কারণ নয়; বমি, শিঙ্গা লাগানো ও স্বপ্নদোষ। (মুসনাদে বাযযার, হাদিস ৫২৮৭; নসবুর রায়াহ ২/৪৪৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/১৭০; জামে তিরমিজি, হাদিস ৭১৯; সুনানে কুবরা, বাইহাকি : ৪/২৬৪)

তবে কেউ কেউ মনে করেন, রমজানে দিনের বেলা স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভেঙে যায়। তাদের এই ধারণা সঠিক নয়। সুতরাং রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙ্গা যাবে না। 

অবশ্য রমজানের সময় দিনের বেলা সহবাস করা নিষেধ। কেউ যদি দিনের বেলা সহবাস করে, তাহলে উভয়েরই রোজা ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে তাদের কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। 

একটি দীর্ঘ হাদীসে আছে, এক ব্যক্তি রাসুল সা.-এর নিকট এসে বলল, আমি রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি। রাসুল সা. তাকে কাফফারা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি : ৬৭০৯; জামে তিরমিজি : ৭২৪; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৭৪৫৭; মুসনাদে আহমদ ২/২৪১)

মুহাম্মাদ ইবনে কা’ব রা. বলেন, রাসুল সা. ওই ব্যক্তিকে (যে স্ত্রীসহবাসে লিপ্ত হয়েছিল) কাফফারা আদায়ের সাথে কাজা আদায়েরও আদেশ করেছিলেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস : ৭৪৬১; আলবাহরুর রায়েক : ২/২৭৬)

উল্লেখ্য, সুবহে সাদিক হয়ে গেছে জানা সত্ত্বেও আজান শোনা যায়নি বা এখনো ভালোভাবে আলো ছড়ায়নি এ ধরনের ভিত্তিহীন অজুহাতে খানাপিনা করলে বা স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হলে কাজা-কাফফারা দুটিই জরুরি হবে। (সুরা বাকারা : ১৮৭; মাআরিফুল কুরআন ১/৪৫৪-৪৫৫)

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow