থালাপতির ২৫ বছরের দাম্পত্যে ফাটল, তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনে তোলপাড়
তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়–এর ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরকীয়ার জেরে তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনে। ভারতীয় এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঙ্গীতা জেলা আদালতে দায়ের করা আবেদনে অভিযোগ করেছেন—বিজয় এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন। তার দাবি, ২০২১ সালে তিনি প্রথম এ সম্পর্কের বিষয়ে জানতে পারেন। পরবর্তীতে একাধিকবার আশ্বাস দিলেও সেই সম্পর্কের অবসান হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ বিবাহ আইন, ১৯৫৪-এর ২৭(১)(ক) ও ২৭(১)(ঘ) ধারার আওতায় ব্যভিচার ও নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এনে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি জেলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিজয় ও সঙ্গীতার বিয়ে হয়। হিন্দু ও খ্রিস্টান এ ধর্মীয় রীতির সমন্বয়ে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল। এই দম্পতির দুই সন্তান—জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা। জনপ্রিয় তারকা ও একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবনের এই সংকট ঘিরে ভক্ত
তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়–এর ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরকীয়ার জেরে তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনে।
ভারতীয় এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঙ্গীতা জেলা আদালতে দায়ের করা আবেদনে অভিযোগ করেছেন—বিজয় এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন। তার দাবি, ২০২১ সালে তিনি প্রথম এ সম্পর্কের বিষয়ে জানতে পারেন। পরবর্তীতে একাধিকবার আশ্বাস দিলেও সেই সম্পর্কের অবসান হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষ বিবাহ আইন, ১৯৫৪-এর ২৭(১)(ক) ও ২৭(১)(ঘ) ধারার আওতায় ব্যভিচার ও নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এনে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি জেলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিজয় ও সঙ্গীতার বিয়ে হয়। হিন্দু ও খ্রিস্টান এ ধর্মীয় রীতির সমন্বয়ে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল। এই দম্পতির দুই সন্তান—জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা।
জনপ্রিয় তারকা ও একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবনের এই সংকট ঘিরে ভক্ত, চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানি ও রায়ের দিকেই এখন সবার নজর।
What's Your Reaction?