দরিদ্রের ত্রাণে ভাগ বসালেন বিত্তশালী বিএনপি নেতা

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় এমপির বরাদ্দকৃত ত্রাণের টিন পেয়েছেন বিএনপির দুই বিত্তশালী বিএনপি। তারা হলেন, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দধি প্রসাদ বর্মণ ও বিএনপি নেতা শংকর কুমার রায়। জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র পরিবারের জন্য ৫০ বান্ডিল ঢেউটিন ও প্রত্যেক পরিবারকে ৩ হাজার টাকা করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। লালমনিরহাট -২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল উপস্তিত হয়ে সরকারি বরাদ্দকৃত ওই টিন বিতরণ করেন।  এ তালিকায় প্রথমেই নাম রয়েছে বিত্তশালী শংকর কুমার রায়ের। তিনি আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য দেবেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। তাকে এলাকায় ধনী ব্যক্তি হিসেবে সবাই চিনেন। তার রয়েছে পাকাবাড়ি ও কয়েক বিঘা আবাদি জমি। এছাড়াও তার স্ত্রী একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। দধি প্রসাদ বর্মন নামের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির নাম রয়েছে ত্রাণের টিনের নামের তালিকায়। তার বাড়িও পাকা আর সজীব বাজারে রয়েছে একটি ওষুধের দোকান।  সোমবার (৪ মে) সকালে সরেজমিন শংকর কুমার ও দধি প্রসাদের

দরিদ্রের ত্রাণে ভাগ বসালেন বিত্তশালী বিএনপি নেতা

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় এমপির বরাদ্দকৃত ত্রাণের টিন পেয়েছেন বিএনপির দুই বিত্তশালী বিএনপি। তারা হলেন, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দধি প্রসাদ বর্মণ ও বিএনপি নেতা শংকর কুমার রায়।

জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র পরিবারের জন্য ৫০ বান্ডিল ঢেউটিন ও প্রত্যেক পরিবারকে ৩ হাজার টাকা করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। লালমনিরহাট -২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল উপস্তিত হয়ে সরকারি বরাদ্দকৃত ওই টিন বিতরণ করেন। 

এ তালিকায় প্রথমেই নাম রয়েছে বিত্তশালী শংকর কুমার রায়ের। তিনি আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য দেবেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। তাকে এলাকায় ধনী ব্যক্তি হিসেবে সবাই চিনেন। তার রয়েছে পাকাবাড়ি ও কয়েক বিঘা আবাদি জমি। এছাড়াও তার স্ত্রী একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

দধি প্রসাদ বর্মন নামের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির নাম রয়েছে ত্রাণের টিনের নামের তালিকায়। তার বাড়িও পাকা আর সজীব বাজারে রয়েছে একটি ওষুধের দোকান। 

সোমবার (৪ মে) সকালে সরেজমিন শংকর কুমার ও দধি প্রসাদের বাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, দুজনেরই বাড়ি পাকা ও তারা ধনী ব্যক্তি। এসময় একাধিক এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শংকরের পরিবারের মতো লোকজন যদি ত্রাণের টিন পায় তাহলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো কোথায় যাবে।

এ বিষয়ে ত্রাণের টিন পাওয়া বিএনপির সভাপতি দধি প্রসাদ বর্মনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ত্রাণের টিন পাওয়া বিত্তশালী শংকর কুমার এক বান্ডিল ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, এমপি মহোদয়ের কাছে আবেদন করেছিলাম তাই তিনি ভালোবেসে দিয়েছেন, আমি নিয়েছি।

আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এনামুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow