দাম কমলো পেঁয়াজের

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতন সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র দুদিন আগেও দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০ থেকে ৩২ টাকায় নেমে এসেছে। হঠাৎ এমন মূল্যহ্রাসে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেড়েছে। বাজার করতে আসা মহিবুল ইসলাম বলেন, পবিত্র রমজান শুরুর পর থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যআয়ের পরিবারগুলো চাপে পড়েছিল। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সংসারের বাজেট ঠিক রাখতে গিয়ে অনেক সময় কম পরিমাণে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে কিংবা অন্যান্য পণ্যের পরিমাণ কমাতে হয়েছে।  তিনি বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩ থেকে ১৫ টাকা কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এখন আগে

দাম কমলো পেঁয়াজের

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতন সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র দুদিন আগেও দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০ থেকে ৩২ টাকায় নেমে এসেছে। হঠাৎ এমন মূল্যহ্রাসে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেড়েছে।

বাজার করতে আসা মহিবুল ইসলাম বলেন, পবিত্র রমজান শুরুর পর থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যআয়ের পরিবারগুলো চাপে পড়েছিল। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সংসারের বাজেট ঠিক রাখতে গিয়ে অনেক সময় কম পরিমাণে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে কিংবা অন্যান্য পণ্যের পরিমাণ কমাতে হয়েছে। 

তিনি বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩ থেকে ১৫ টাকা কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এখন আগের তুলনায় সাশ্রয় হওয়া টাকায় ডাল, তেলসহ অন্য নিত্যপণ্য কেনা সম্ভব হচ্ছে। বাজারে এ ধরনের মূল্যহ্রাস অব্যাহত থাকলে রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, সাম্প্রতিক নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজান শুরু হওয়ায় বাড়তি চাহিদার সুযোগে মোকাম পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি পায়। তবে বর্তমানে কৃষকরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ উত্তোলন করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমতে শুরু করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow