দারুণ জয়ে মিশন শুরু বাংলাদেশের
এশিয়ান বিচ গেমসে হারানো পদক পুনরুদ্ধারের মিশনের শুরুতে কিছুটা ভয়-শঙ্কা ছিল। নারী বিভাগের লড়াইয়ে থাইল্যান্ডকে ৫১-৩৪ পয়েন্টে উড়িয়ে তা কাটিয়ে উঠল বাংলাদেশ। চীনের সানিয়ায় ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচের আগা-গোড়া বাংলাদেশ অধিপত্য বিস্তার করেছিল। শুরুতে থাইল্যান্ড তুলনামূল লড়াই করল বটে, প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসী নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে পেছনের পায়ে ঠেলে দিয়েছিল। এই অর্ধের স্কোরলাইন ছিল ২৬-১৬। বিরতির পর বাংলাদেশের ২৫ পয়েন্টের বিপরীতে থাইল্যান্ড ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে। দারুণ এই জয়ের পর বাংলাদেশের টিম গেমের প্রসংশা করে কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহজাগ চীন থেকে কালবেলাকে বলছিলেন, ‘রক্ষণ এবং রেইড—দুই বিভাগেই বাংলাদেশ মসৃন নৈপুণ্যে উপহার দিয়েছে। এখানে বিশেষ করে কারোর নাম নাম উল্লেখ করাটা কঠিন। কারণ সকলেই দলে ভূমিকা রেখেছেন। সকল কৃতিত্ব দলের কোচিং স্টাফ ও মেয়েদের।’ ম্যাচের শুরুর দিকে প্রতিপক্ষ দলের গতিবিধি বোঝার জন্য কিছুটা সময় নিয়েছে বাংলাদেশ। এই কারণে শুরুর পাঁচ মিনিট তুমুল লড়াই হয়। একটা পর্যায়ে বাংলাদেশের অধিপত্যর মুখে প্রচণ্ড চাপে পড়েছিল থাইল্যান্ড। ম্যাচের শেষদিকে বাংলা
এশিয়ান বিচ গেমসে হারানো পদক পুনরুদ্ধারের মিশনের শুরুতে কিছুটা ভয়-শঙ্কা ছিল। নারী বিভাগের লড়াইয়ে থাইল্যান্ডকে ৫১-৩৪ পয়েন্টে উড়িয়ে তা কাটিয়ে উঠল বাংলাদেশ।
চীনের সানিয়ায় ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচের আগা-গোড়া বাংলাদেশ অধিপত্য বিস্তার করেছিল। শুরুতে থাইল্যান্ড তুলনামূল লড়াই করল বটে, প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসী নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে পেছনের পায়ে ঠেলে দিয়েছিল। এই অর্ধের স্কোরলাইন ছিল ২৬-১৬। বিরতির পর বাংলাদেশের ২৫ পয়েন্টের বিপরীতে থাইল্যান্ড ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে।
দারুণ এই জয়ের পর বাংলাদেশের টিম গেমের প্রসংশা করে কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহজাগ চীন থেকে কালবেলাকে বলছিলেন, ‘রক্ষণ এবং রেইড—দুই বিভাগেই বাংলাদেশ মসৃন নৈপুণ্যে উপহার দিয়েছে। এখানে বিশেষ করে কারোর নাম নাম উল্লেখ করাটা কঠিন। কারণ সকলেই দলে ভূমিকা রেখেছেন। সকল কৃতিত্ব দলের কোচিং স্টাফ ও মেয়েদের।’
ম্যাচের শুরুর দিকে প্রতিপক্ষ দলের গতিবিধি বোঝার জন্য কিছুটা সময় নিয়েছে বাংলাদেশ। এই কারণে শুরুর পাঁচ মিনিট তুমুল লড়াই হয়। একটা পর্যায়ে বাংলাদেশের অধিপত্যর মুখে প্রচণ্ড চাপে পড়েছিল থাইল্যান্ড। ম্যাচের শেষদিকে বাংলাদেশী দুই তারকা বৃষ্টি বিশ্বাস ও শ্রাবণী মল্লিককে তুলে আঞ্জুয়ারা রাত্রি ও মেইবি চাকমাকে খেলায় বাংলাদেশ। দুই উদীয়মানও দলে ভূমিকা রেখেছেন।
কাবাডির যেকোন ফরমেটে এটি ছিল থাইল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টানা তৃতীয় জয়। গত বছর মার্চে ইরানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দেশটিকে ৪২-২৭ পয়েন্টে হারিয়ে ব্রোঞ্জপদক নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। নভেম্বরে ঢাকায় নারী কাবাডি বিশ্বকাপে তাদের ৪০-৩১ পয়েন্টে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি লাল-সবুজরা নিশ্চিত করেছিল ব্রোঞ্জ পদক। ম্যাটে টানা দুটি জয়ের পর এবার বালির কোর্টে দেশটিকে হারিয়ে বিচ গেমসে মিশন শুরু করল বাংলাদেশ।
২০০৮ সালে প্রথম এশিয়ান বিচ গেমসের পুরুষ বিভাগে ব্রোঞ্জ জয় করেছিল বাংলাদেশ। ২০১০ ও ২০১২ সালে ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ নারী দল। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরের দুই বিভাগে অংশগ্রহণ করলেও লাল-সবুজরা ছিল পদকশূণ্য। এবার পদক পুনরুদ্ধারের মিশনে নেমেছে নারী ও পুরুষ দল।
What's Your Reaction?