দিনাজপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমলো কেজিতে ৮ টাকা

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হাটবাজারে নতুন ‘হালি’ জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতিটি দোকানে নতুন হালি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা মাত্র এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪০ টাকা। অন্যদিকে, মৌসুমের শেষ দিকে থাকা পুরোনো ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে। স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ী জয়ন্ত সাহা ও আইয়ুব আলী বলেন, ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে এর সরবরাহ কমে গিয়েছিল, ফলে গত সপ্তাহে দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে বর্তমানে নাটোর, রাজশাহী ও পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত নতুন হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম দ্রুত কমে গেছে।’ পৌর বাজারের বিক্রেতা হারুন উর রশীদ জানান, বর্তমানে মোকামে পেঁয়াজের আমদানি অনেক বেশি। আগে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকায় কিনতে হলেও এখন তা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। সরবরাহের এই ধারা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে দাম বাড়ার কোন

দিনাজপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমলো কেজিতে ৮ টাকা

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হাটবাজারে নতুন ‘হালি’ জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতিটি দোকানে নতুন হালি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা মাত্র এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪০ টাকা। অন্যদিকে, মৌসুমের শেষ দিকে থাকা পুরোনো ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে।

স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ী জয়ন্ত সাহা ও আইয়ুব আলী বলেন, ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে এর সরবরাহ কমে গিয়েছিল, ফলে গত সপ্তাহে দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে বর্তমানে নাটোর, রাজশাহী ও পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত নতুন হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম দ্রুত কমে গেছে।’

পৌর বাজারের বিক্রেতা হারুন উর রশীদ জানান, বর্তমানে মোকামে পেঁয়াজের আমদানি অনেক বেশি। আগে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকায় কিনতে হলেও এখন তা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। সরবরাহের এই ধারা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও। শহরের ডুঙ্গি হোটেলের স্বত্বাধিকারী উজ্জ্বল মহন্ত বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কমায় এখন প্রয়োজনমতো পেঁয়াজ ব্যবহার করে তরকারি তৈরি করা যাচ্ছে, যা আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির।’

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ হাছান বলেন, ‘বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি রয়েছে। কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow