দিল্লিতে ১০ বছরের শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও খুন

ভারতের দিল্লির মেহরাউলি এলাকায় ১০ বছর বয়সী শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের এক নৃশংস ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মৃতদেহ মেহরাউলির একটি বনাঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।  সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ শিশুটির পরিবার পুলিশকে জানায়, তাদের মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মেহরাউলি পুলিশ তদন্তে নামে এবং এলাকার কয়েকশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। অভিযুক্তের নাম বাবলু (২৫), যিনি পেশায় একজন অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব চালক। পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত বাবলু নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মেহরাউলির সিডিআর চক এলাকার একটি ফুটপাথ থেকে তিনি শিশুটিকে অপহরণ করেছিলেন। এরপর তিনি শিশুটিকে গুরুগ্রামের দিকে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করেন। অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ শিশুটির দেহ উদ্ধার করে। নিহত শিশুটির পরিবার মূলত বিহারের বাসিন্দা। তার বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করেন এবং পরিবারে চারজন সন্তান ছিল। শিশুটি নিজে রাস্তায় বেলুন বিক্রি করত। আগে ভাড়া বাড়িতে থাকলেও সেটির ভাড়া চালাত

দিল্লিতে ১০ বছরের শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও খুন
ভারতের দিল্লির মেহরাউলি এলাকায় ১০ বছর বয়সী শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের এক নৃশংস ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মৃতদেহ মেহরাউলির একটি বনাঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।  সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ শিশুটির পরিবার পুলিশকে জানায়, তাদের মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মেহরাউলি পুলিশ তদন্তে নামে এবং এলাকার কয়েকশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। অভিযুক্তের নাম বাবলু (২৫), যিনি পেশায় একজন অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব চালক। পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত বাবলু নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মেহরাউলির সিডিআর চক এলাকার একটি ফুটপাথ থেকে তিনি শিশুটিকে অপহরণ করেছিলেন। এরপর তিনি শিশুটিকে গুরুগ্রামের দিকে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করেন। অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ শিশুটির দেহ উদ্ধার করে। নিহত শিশুটির পরিবার মূলত বিহারের বাসিন্দা। তার বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করেন এবং পরিবারে চারজন সন্তান ছিল। শিশুটি নিজে রাস্তায় বেলুন বিক্রি করত। আগে ভাড়া বাড়িতে থাকলেও সেটির ভাড়া চালাতে অক্ষম হয়ে পড়ে। এরপর থেকে পরিবারটি ফুটপাথেই বসবাস শুরু করছে। মেহরাউলি পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় সমস্ত প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে অভিযুক্ত বাবলু পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow