দীনেশ ত্রিবেদীকে কেবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিল ভারত সরকার

ভারত সরকার দেশটির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমানে ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে কেবিনেট মিনিস্টার পদমর্যাদা দিয়েছে। এর মাধ্যমে তার বর্তমান দায়িত্বে অতিরিক্ত মর্যাদা যুক্ত হলো। বুধবার (২৪ জুন) এ সংক্রান্ত সরকারি পরিপত্র জারি করে ভারত সরকার। দীনেশ ত্রিবেদী বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তার নিয়োগ ঘোষণার পর ১২ জুন তিনি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে তার সহধর্মিণীসহ ঢাকায় পৌঁছান। ১৯৫০ সালের ৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বয়স এখন ৭৬ বছর। গুজরাটি বংশোদ্ভূত হলেও কলকাতায় বেড়ে ওঠায় তিনি বাংলা ভাষায় সাবলীল। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।  রাজনীতিতে তিনি প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন। ব্যারাকপুর থেকে লোকসভা সদস্য এবং রাজ্যসভা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মনমোহন সিং সরকারের আমলে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রী (কেবিনেট র‍্যাঙ্ক) ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, হাইকমিশনার হিসেবে তার দ

দীনেশ ত্রিবেদীকে কেবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিল ভারত সরকার

ভারত সরকার দেশটির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমানে ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে কেবিনেট মিনিস্টার পদমর্যাদা দিয়েছে। এর মাধ্যমে তার বর্তমান দায়িত্বে অতিরিক্ত মর্যাদা যুক্ত হলো।

বুধবার (২৪ জুন) এ সংক্রান্ত সরকারি পরিপত্র জারি করে ভারত সরকার।

দীনেশ ত্রিবেদী বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তার নিয়োগ ঘোষণার পর ১২ জুন তিনি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে তার সহধর্মিণীসহ ঢাকায় পৌঁছান।

১৯৫০ সালের ৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বয়স এখন ৭৬ বছর। গুজরাটি বংশোদ্ভূত হলেও কলকাতায় বেড়ে ওঠায় তিনি বাংলা ভাষায় সাবলীল। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।  রাজনীতিতে তিনি প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন।

ব্যারাকপুর থেকে লোকসভা সদস্য এবং রাজ্যসভা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মনমোহন সিং সরকারের আমলে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রী (কেবিনেট র‍্যাঙ্ক) ছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, হাইকমিশনার হিসেবে তার দায়িত্ব পালনে কেবিনেট মর্যাদা অতিরিক্ত প্রভাব ও সুবিধা দেবে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্পর্শকাতর সময়ে একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে এই পদে রাখা এবং তাকে কেবিনেট মর্যাদা দেওয়া কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় এসে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি শিগগিরই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow