দীরাজ মাহমুদের কবিতা : পূর্ণিমা চাঁদ
কপালের টিপে পূর্ণিমা চাঁদ দুই ভুরুর মাঝখানে কপালের ঠিক মদ্দি উঠোনে গোল টিপখান যেন পদ্মপাতায় পূর্ণিমা চাঁদ তোমার কপালের টিপ পূর্ণবতী চাঁন্দের নাহাল সেটে আছে আমার মন দেয়ালের আয়নায় দারুণ মায়াবতী গড়ন, চোখ জুড়ানো রঙবরণ এক অপ্সরি অন্যরকম রোমাঞ্চকর অনুভূতির অনুভবে ঘর থেকে বেরিয়ে যাই রোজ অপরাহ্নে বিকেলের রোদ পিটে পুকুরের পশ্চিম পাড়ে দাঁড়ায় তোমার অপেক্ষায় অধির আগ্রহে থাকি তোমার কপালের গোল টিপে চন্দ্র দেখবো বলে আলতা মাখা নূপুর পায়ে ধীর লয়ে পুকুর ঘাটে এসে দাঁড়াও যখন, তখনই মন বলে যেন এ জনম স্বার্থক তোমারই কারণ বিপন্ন বেহালা জল নেবার ছলে পা ডুবিয়ে জলে কলসি ডুবাও যখন তখন দেখি তুমি জলপরী, জলের বুকে ঢেউ তুলে লেপ্টে আছো হৃদয়ের গভীরে ভালোলাগার আর ভালোবাসার মায়ায় মাখামাখি হয়ে যায় সাঝেঁর আলো ছায়ায় বাজে সুর সানাই সুরোভিত গন্ধে উল্লসিত আনন্দে হৃদয় মন্দির সাজাই বিষণ্ন সুর এখন মধ্য দুপুর ঝাঁ-রোদ্দুর, বেজে চলেছে বিষন্ন সুর। প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কেঁড়ে নিলে, যাপনের শীতল মাদু
কপালের টিপে পূর্ণিমা চাঁদ
দুই ভুরুর মাঝখানে কপালের ঠিক মদ্দি উঠোনে গোল টিপখান যেন পদ্মপাতায় পূর্ণিমা চাঁদ
তোমার কপালের টিপ পূর্ণবতী চাঁন্দের নাহাল সেটে আছে আমার মন দেয়ালের আয়নায়
দারুণ মায়াবতী গড়ন, চোখ জুড়ানো রঙবরণ এক অপ্সরি
অন্যরকম রোমাঞ্চকর অনুভূতির অনুভবে ঘর থেকে বেরিয়ে যাই রোজ অপরাহ্নে
বিকেলের রোদ পিটে পুকুরের পশ্চিম পাড়ে দাঁড়ায় তোমার অপেক্ষায়
অধির আগ্রহে থাকি তোমার কপালের গোল টিপে চন্দ্র দেখবো বলে
আলতা মাখা নূপুর পায়ে ধীর লয়ে পুকুর ঘাটে এসে দাঁড়াও যখন, তখনই মন বলে যেন এ জনম স্বার্থক তোমারই কারণ
বিপন্ন বেহালা
জল নেবার ছলে পা ডুবিয়ে জলে কলসি ডুবাও যখন
তখন দেখি তুমি জলপরী, জলের বুকে ঢেউ তুলে লেপ্টে আছো হৃদয়ের গভীরে
ভালোলাগার আর ভালোবাসার মায়ায় মাখামাখি হয়ে যায়
সাঝেঁর আলো ছায়ায় বাজে সুর সানাই
সুরোভিত গন্ধে উল্লসিত আনন্দে হৃদয় মন্দির সাজাই
বিষণ্ন সুর
এখন মধ্য দুপুর ঝাঁ-রোদ্দুর, বেজে চলেছে বিষন্ন সুর। প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কেঁড়ে নিলে, যাপনের শীতল মাদুর । সাধের বেহালায় এখন বেহাগ বাজছে, কি যে করুণ অসহায়ত্বে ধুঁকছি । দারুণ নিষ্ঠুর বর্বরতায় বিপন্ন, অযত্ন অবহেলায় হৃদয় পুড়ছে। বিষাদ কাঁটা বিঁধছে ক্ষণে ক্ষণে, ঝরে ঝরে পড়ছে করুণ বেহাগ রাগ। এখন শকুনের বদ নজরে, বয়ে বেড়াই কলংকের দাগ।
পুড়তে হবে আগুন দুপুরে
তুমি ভেবো না যে জিতে গেছো। নির্ঘাত আগুন দুপুরে পুড়তে হবে, উড়তে হবে ধুলি তুফানে। চুর্ণ বিচুর্ণ হয়ে যাবে সব দাম্ভিকতা। তুমি মনে কোরো না যে রেহায় পেয়ে যাবে। ঠিকই থেমে যাবে সুর লয়, নিশ্চিত ছুটতে হবে দ্বিগ বিদিক। ভোগ করতে হবে অসভ্যতার বিষফল । তুমি আশায় বুক বেঁধো না যে হিসাব দিতে হবে না। উত্তপ্ত মরুর বুকে দৌঁড়াতে হবে ছায়াহীন, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ছুঁটতে হবে হাহাকার তুলে । অভিযোগ পত্র পাঠিয়ে রাখলাম ঈশ্বরের ঠিকানায়।
ইতরপনা স্বভাব
অশুভ শক্তির কালোত্তীর্ণ ছায়া লেপ্টে আছে মন মগজে । শুভ শক্তির উদয় হবে এমন ভাবনা অবান্তর । নেশার বিষ গলায় ঢেলে রঙিন আলোয় হাত পা ছুড়াছুড়ি । মুখে খিস্তি খেউড় আর বেসুরো সংগীত । বেশ্যা নারীতে শরীর ডুবিয়ে হাত বাড়াই সুখ পাখি ধরতে । এমন ছুটে চলা দ্বিগ-বিদ্বিগ মরিচীকা মায়ায়, আরো কতো কি যে ঘটে হামেশাই । তাই মাতালের ভাবনায় নাই, ইতরপনা স্বভাবের উদরখানা নর্দমা ।
What's Your Reaction?