দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এএসআই ইব্রাহিমকে সুসজ্জিত গাড়িতে রাজকীয় বিদায়
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইব্রাহিমকে জমকালো ও অশ্রুসিক্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজকীয় সম্মাননায় বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানা পুলিশের উদ্যোগে সহকর্মীর অবসর গ্রহণ উপলক্ষে এই বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
বিদায় লগ্ন স্মরণীয় করে রাখতে থানা প্রাঙ্গণ বর্ণিল ফুল ও আলোয় সুসজ্জিত করা হয়। স্মৃতিচারণ সভায় সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এএসআই ইব্রাহিমের দীর্ঘ কর্মজীবনের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে বিশেষভাবে সাজানো একটি গাড়িতে করে এএসআই ইব্রাহিমকে বিদায় জানানো হয়। এ সময় সহকর্মীরা ফুল ছিটিয়ে তাকে সম্মান জানান। অনেককে অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় সহকর্মীকে বিদায় জানাতে দেখা যায়।
এএসআই ইব্রাহিম ১৯৯৭ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ২৯ বছর ৭ মাসের কর্মজীবন শেষে তিনি কোনাবাড়ী থানা থেকে অবসরে গেলেন। তিনি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিঙ্গারদিঘী গ্রামের আশরব আলীর ছেলে।
বিদায়লগ্নে আবেগঘন বক্তব্যে এএসআই ইব্রাহিম বলেন, দীর্ঘসময় ধরে সততার সঙ্গে
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইব্রাহিমকে জমকালো ও অশ্রুসিক্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজকীয় সম্মাননায় বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানা পুলিশের উদ্যোগে সহকর্মীর অবসর গ্রহণ উপলক্ষে এই বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
বিদায় লগ্ন স্মরণীয় করে রাখতে থানা প্রাঙ্গণ বর্ণিল ফুল ও আলোয় সুসজ্জিত করা হয়। স্মৃতিচারণ সভায় সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এএসআই ইব্রাহিমের দীর্ঘ কর্মজীবনের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে বিশেষভাবে সাজানো একটি গাড়িতে করে এএসআই ইব্রাহিমকে বিদায় জানানো হয়। এ সময় সহকর্মীরা ফুল ছিটিয়ে তাকে সম্মান জানান। অনেককে অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় সহকর্মীকে বিদায় জানাতে দেখা যায়।
এএসআই ইব্রাহিম ১৯৯৭ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ২৯ বছর ৭ মাসের কর্মজীবন শেষে তিনি কোনাবাড়ী থানা থেকে অবসরে গেলেন। তিনি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিঙ্গারদিঘী গ্রামের আশরব আলীর ছেলে।
বিদায়লগ্নে আবেগঘন বক্তব্যে এএসআই ইব্রাহিম বলেন, দীর্ঘসময় ধরে সততার সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি। সহকর্মীদের এই ভালোবাসায় আমি অত্যন্ত অভিভূত। জীবনের শেষ মুহূর্তটি আমার আজীবন মনে থাকবে।
থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, পুলিশের সৎ ও নিষ্ঠাবান সদস্যদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান জানাতেই এই রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন। এই উদ্যোগ নতুন কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হতে ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।