দুই প্রতিবেশীকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু

ঝালকাঠির নলছিটিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই প্রতিবেশীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মিলন হাওলাদার (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নলছিটি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শংকরপাশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন হাওলাদার ওই এলাকার সেলিম হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিলন হাওলাদারের সঙ্গে প্রতিবেশী রিপন হাওলাদারদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (৪ মার্চ) মিলন রিপনের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও তখন মিলনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মিলন পুনরায় এলাকায় ফিরে রিপন হাওলাদার ও বিল্লাল হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচি

দুই প্রতিবেশীকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু

ঝালকাঠির নলছিটিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই প্রতিবেশীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মিলন হাওলাদার (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নলছিটি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শংকরপাশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন হাওলাদার ওই এলাকার সেলিম হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিলন হাওলাদারের সঙ্গে প্রতিবেশী রিপন হাওলাদারদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (৪ মার্চ) মিলন রিপনের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও তখন মিলনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মিলন পুনরায় এলাকায় ফিরে রিপন হাওলাদার ও বিল্লাল হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়।

এদিকে, এই হামলার ঘটনায় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা মিলনকে ধাওয়া করে আটক করে এবং এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মিলনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশ্রাফ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিলনের মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার ঘটনা এবং পরবর্তী বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মো. আমিন হোসেন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow