দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন মোজতবা খামেনি
শিয়া মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ও পবিত্র উৎসব ঈদুল গাদির উপলক্ষে দুই হাজারের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি। শুক্রবার (৫ জুন) দেশটির বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেইয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সাধারণ ক্ষমা অনুমোদন করা হয়েছে। এর আওতায় আদালত ও সামরিক ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত বন্দিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বিচার বিভাগের কর্মকর্তা আলী মোজাফারি জানান, ক্ষমা পাওয়ার জন্য বন্দিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত বাদী থাকা যাবে না, কার্যকর অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা চলবে না এবং সাজাভোগের একটি অংশ শেষ করার পর সংশোধনের লক্ষণ প্রদর্শন করতে হবে। তিনি বলেন, বন্দিদের বয়স, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং অপরাধের ধরনও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। মোজাফারি বলেন, বিচার বিভাগের মূলনীতি হলো দণ্ড সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা। কিন্তু সাজা কার্যকরের সময় যদি স্পষ্ট হয় যে কোনো ব্যক্তি সংশোধিত হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তি অব্যাহত রাখার প্রয়োজন নেই, তখন ক্ষমা বা সাজা হ্রাসের সুযোগ তৈরি হয়। তিনি জানান, ক্ষমাপ্রাপ্ত দুই হাজার বন্দির অধিকাংশই ত
শিয়া মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ও পবিত্র উৎসব ঈদুল গাদির উপলক্ষে দুই হাজারের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি। শুক্রবার (৫ জুন) দেশটির বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেইয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সাধারণ ক্ষমা অনুমোদন করা হয়েছে। এর আওতায় আদালত ও সামরিক ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত বন্দিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
বিচার বিভাগের কর্মকর্তা আলী মোজাফারি জানান, ক্ষমা পাওয়ার জন্য বন্দিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত বাদী থাকা যাবে না, কার্যকর অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা চলবে না এবং সাজাভোগের একটি অংশ শেষ করার পর সংশোধনের লক্ষণ প্রদর্শন করতে হবে।
তিনি বলেন, বন্দিদের বয়স, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং অপরাধের ধরনও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মোজাফারি বলেন, বিচার বিভাগের মূলনীতি হলো দণ্ড সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা। কিন্তু সাজা কার্যকরের সময় যদি স্পষ্ট হয় যে কোনো ব্যক্তি সংশোধিত হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তি অব্যাহত রাখার প্রয়োজন নেই, তখন ক্ষমা বা সাজা হ্রাসের সুযোগ তৈরি হয়।
তিনি জানান, ক্ষমাপ্রাপ্ত দুই হাজার বন্দির অধিকাংশই তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাবেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
মোজাফারি বলেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবিরোধী অপরাধ, গুপ্তচরবৃত্তি, অভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড এবং জননিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলার দায়ে দণ্ডিতদের কোনো অবস্থাতেই ক্ষমা করা হবে না।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বৈশ্বিক চাপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখোমুখি, তখন জাতীয় নিরাপত্তাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কঠোরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের দণ্ডপ্রাপ্তরা কোনো ধরনের ক্ষমার আওতায় আসবেন না।
এছাড়া যেসব মামলায় ব্যক্তিগত বাদী রয়েছে, বাদীর সম্মতি ছাড়া সেসব ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ক্ষমা বা দণ্ড লাঘব করা হবে না।
উল্লেখ্য, ইরানে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও জাতীয় উপলক্ষগুলোতে নিয়মিতভাবেই এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়
সূত্র : প্রেস টিভি
What's Your Reaction?