দুদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতীক রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী : ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান কুমার বঢ়ে বলেছেন, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে বেঁচে আছেন। তার মতে, এই দুই কবির প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শক্তিশালী প্রতীক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে দুই কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন। অনুষ্ঠানটি ইন্দিরা গান্ধী সংস্কৃতি কেন্দ্র (আইজিসিসি) ঢাকা, কালচারাল স্কুল তপোবন, নৃত্যাঞ্চল ও বহুমাত্রিক ডটকমের সহযোগিতায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার পাওয়ান কুমার বঢ়ে বলেন, এই দুই অসামান্য কবি ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে ও গভীরভাবে বেঁচে রয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার তাৎপর্যপূর্ণভাবে উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রতি প্রদর্শিত নিরন্তর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমাদের অভিন্ন সাংস্কৃতিক পরম্পরার অন্যতম শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে। দুই কবির জন্য উৎসর্গ করা এই সন্ধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নৃত্যাঞ্চলের প্রখ্যাত শিল্পী
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান কুমার বঢ়ে বলেছেন, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে বেঁচে আছেন। তার মতে, এই দুই কবির প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শক্তিশালী প্রতীক।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে দুই কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন। অনুষ্ঠানটি ইন্দিরা গান্ধী সংস্কৃতি কেন্দ্র (আইজিসিসি) ঢাকা, কালচারাল স্কুল তপোবন, নৃত্যাঞ্চল ও বহুমাত্রিক ডটকমের সহযোগিতায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজন করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার পাওয়ান কুমার বঢ়ে বলেন, এই দুই অসামান্য কবি ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে ও গভীরভাবে বেঁচে রয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার তাৎপর্যপূর্ণভাবে উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রতি প্রদর্শিত নিরন্তর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমাদের অভিন্ন সাংস্কৃতিক পরম্পরার অন্যতম শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে।
দুই কবির জন্য উৎসর্গ করা এই সন্ধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নৃত্যাঞ্চলের প্রখ্যাত শিল্পী শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের নির্দেশনায় পরিবেশিত নৃত্য-সঙ্গীতনির্ভর মূকনাট্য (ট্যাবলো) ‘নৃত্যগীতি’। এই পরিবেশনাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গীত ও দর্শনবিষয়ক ঐতিহ্যের এক সৃজনশীল সমন্বয়কে উপস্থাপন করে। এই পর্বটি চলাকালে, শিল্পীগণ রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমেদ রেজার উপস্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
এই অনুষ্ঠানে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতির একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তিতে, অংশগ্রহণকারী নবীন শিল্পীদের সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।
What's Your Reaction?