দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারাউন্দ গ্রামে এ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ জানান, আহতদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম এবং ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মোনতাজ মিয়া। উভয়ের বাড়ি একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামে এবং তারা বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল নির্বাচনী আলাপ-আলোচনার সময়। মঙ্গলবার রাতে যুবদল নেতা আব্দুল হালিম ও ঘোড়া প্রতীকের অনুসারী আলমগীর মিয়া এর মধ্যে তর্ক বাঁধে। এরপর উভয় পক্ষের অনুসারীরা একে অপরের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতিতে জড়ান। ঘটনায় সাতজন আহত হন। গুরুতর আহত দুইজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, “ঘটনাস্থল

দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারাউন্দ গ্রামে এ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ জানান, আহতদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম এবং ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মোনতাজ মিয়া। উভয়ের বাড়ি একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামে এবং তারা বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থক।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল নির্বাচনী আলাপ-আলোচনার সময়। মঙ্গলবার রাতে যুবদল নেতা আব্দুল হালিম ও ঘোড়া প্রতীকের অনুসারী আলমগীর মিয়া এর মধ্যে তর্ক বাঁধে। এরপর উভয় পক্ষের অনুসারীরা একে অপরের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতিতে জড়ান।

ঘটনায় সাতজন আহত হন। গুরুতর আহত দুইজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, “ঘটনাস্থলে রাতেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেনাসদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” তবে তিনি জানান, এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow