দুর্গম পাহাড়ের ৪ গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলো সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ির গহিন পাহাড়ের ৪টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির কষ্ট দূর করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টানা ১৩ দিনের কঠোর পরিশ্রমে ইন্দ্রসিংপাড়া, শুকনাছড়ি, পাংকুপাড়া ও হাতিছড়া গ্রামের চার শতাধিক পরিবারের জন্য সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে। লক্ষ্মীছড়ির ইন্দ্রসিংপাড়ায় ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও গুইমারা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির বাস্তবায়িত পানি সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম। সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুইমারা রামেসু বাজারসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফর সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিরোধী অভিযান শুরু হলে দুর্গম গ্রামে পানি সংকটের বিষয়টি নজরে আসে সেনাবাহিনীর। পরবর্তীতে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির তত্ত্বাবধানে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৬শ ফুট উপরের কালাপাহাড় রেঞ্জের প্রাকৃতিক উৎস থেকে ৭ কিলোমিটার পাইপ লাইনের মাধ্যমে ৪ গ্রামে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। এতে করে প্রায় ২ হাজার মানুষ সুপেয় পানির আওতায় এসেছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী গ্রামবাসী নারী-

দুর্গম পাহাড়ের ৪ গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলো সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ির গহিন পাহাড়ের ৪টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির কষ্ট দূর করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টানা ১৩ দিনের কঠোর পরিশ্রমে ইন্দ্রসিংপাড়া, শুকনাছড়ি, পাংকুপাড়া ও হাতিছড়া গ্রামের চার শতাধিক পরিবারের জন্য সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লক্ষ্মীছড়ির ইন্দ্রসিংপাড়ায় ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও গুইমারা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির বাস্তবায়িত পানি সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম।

দুর্গম পাহাড়ের ৪ গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলো সেনাবাহিনী

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুইমারা রামেসু বাজারসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফর সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিরোধী অভিযান শুরু হলে দুর্গম গ্রামে পানি সংকটের বিষয়টি নজরে আসে সেনাবাহিনীর। পরবর্তীতে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির তত্ত্বাবধানে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৬শ ফুট উপরের কালাপাহাড় রেঞ্জের প্রাকৃতিক উৎস থেকে ৭ কিলোমিটার পাইপ লাইনের মাধ্যমে ৪ গ্রামে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। এতে করে প্রায় ২ হাজার মানুষ সুপেয় পানির আওতায় এসেছে।

সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী গ্রামবাসী নারী-পুরুষ।

কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow