দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ল যুবদল নেতার বাড়ি
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে মো. খবির আহাম্মদ নামের এক যুবদল নেতার বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। শনিবার (০৯ মে) মধ্যরাতে রামকৃষ্ণপুর সাব বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত মো. খবির আহাম্মদ ওই এলাকার মরহুম আলী আহাম্মদের ছেলে এবং চান্দেরচর ইউনিয়ন যুবদলের ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বাড়ির নিচতলার ড্রয়িং রুমের জানালার গ্লাস ভেঙে ভেতরে আগুন নিক্ষেপ করে সোফায় আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্রে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ড্রয়িং রুমের আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এ সময় খবির আহাম্মদ ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় থাকলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তান পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তারা অক্ষত অবস্থায় বের হয়ে আসেন। খবির আহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় মাদক কারবার ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে আসছিলেন তিনি। বিশেষ করে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে এ
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে মো. খবির আহাম্মদ নামের এক যুবদল নেতার বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
শনিবার (০৯ মে) মধ্যরাতে রামকৃষ্ণপুর সাব বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত মো. খবির আহাম্মদ ওই এলাকার মরহুম আলী আহাম্মদের ছেলে এবং চান্দেরচর ইউনিয়ন যুবদলের ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বাড়ির নিচতলার ড্রয়িং রুমের জানালার গ্লাস ভেঙে ভেতরে আগুন নিক্ষেপ করে সোফায় আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্রে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ড্রয়িং রুমের আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়।
এ সময় খবির আহাম্মদ ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় থাকলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তান পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তারা অক্ষত অবস্থায় বের হয়ে আসেন।
খবির আহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় মাদক কারবার ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে আসছিলেন তিনি। বিশেষ করে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
হোমনা থানার ওসি টমাস বড়ুয়া বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
What's Your Reaction?