দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতিতে অপশক্তি সক্রিয় : গোলাম পরওয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতিতে একটি অপশক্তি সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় কুমিল্লা মহানগরীতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর পুরোনো ইস্যু সামনে এনে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা কোনোভাবেই দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্যই তরুণ, যারা স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন। তাদের স্বাধীনতাবিরোধী বা রাজাকার আখ্যা দিলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং বিষয়টি উপহাসে পরিণত হবে। তিনি আরও বলেন, কমিউনিজম তত্ত্বে শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। একইভাবে পশ্চিমা গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রভাবাধীন রাষ্ট্রে ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তার মতে, প্রকৃত ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ইসলামী শাসনব্যবস্থা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে পুরোনো বিতর্ক জিইয়ে রেখে জাতীয় ঐক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতিতে একটি অপশক্তি সক্রিয় রয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় কুমিল্লা মহানগরীতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর পুরোনো ইস্যু সামনে এনে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা কোনোভাবেই দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্যই তরুণ, যারা স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন। তাদের স্বাধীনতাবিরোধী বা রাজাকার আখ্যা দিলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং বিষয়টি উপহাসে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, কমিউনিজম তত্ত্বে শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। একইভাবে পশ্চিমা গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রভাবাধীন রাষ্ট্রে ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তার মতে, প্রকৃত ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ইসলামী শাসনব্যবস্থা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে পুরোনো বিতর্ক জিইয়ে রেখে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করতে চায়, যা দেশের স্বার্থের পরিপন্থি এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। এসব বিতর্ক দ্রুত নিষ্পত্তি করে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা এটিএম মাসুম, মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মু. মজিবুর রহমান ভুঁইয়া।
মহানগরী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান ও সহকারী সেক্রেটারি মু. মাইন উদ্দিন সরকারের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতা মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, মু. শফিউল্লাহ, নিজাম উদ্দিন, কলিম উল্লাহ ও মহিউদ্দিন রিপনসহ অন্য নেতারা।
What's Your Reaction?