দেশব্যাপী লোডশেডিংয়ের মধ্যে দুঃসংবাদ দিল আদানি

ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে কেন্দ্রটি থেকে ৮০০ মেগাওয়াট সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, যা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। পিডিবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ওই ইউনিটের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ত্রুটি সারিয়ে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে ইউনিটটির অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। গত কয়েক দিন যাবৎ আদানি পাওয়ার থেকে গড়ে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর বর্তমানে উৎপাদন কমে ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। ভারতে নির্মিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে এবং একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় ।

দেশব্যাপী লোডশেডিংয়ের মধ্যে দুঃসংবাদ দিল আদানি

ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে কেন্দ্রটি থেকে ৮০০ মেগাওয়াট সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, যা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।

পিডিবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ওই ইউনিটের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ত্রুটি সারিয়ে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে ইউনিটটির অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।

গত কয়েক দিন যাবৎ আদানি পাওয়ার থেকে গড়ে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর বর্তমানে উৎপাদন কমে ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

ভারতে নির্মিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে এবং একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow