দেশে এসেছে সৌদিতে নিহত মোশাররফের মরদেহ
ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সৌদি আরবের আলখারাজ এলাকায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের মরদেহ ঢাকায় এসেছে। নিহত মোশাররফ হোসেন সখীপুর উপজেলার কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. সূরজত আলী। জানা গেছে, সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে মোশাররফের মরদেহবাহী সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুর হক চৌধুরী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মোশাররফ হোসেন বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকে আসেন। তারা মোশাররফ হোসেনের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। মরদেহ সংগ্রহের পর তারা দুজন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। গত ৮ মার্চ মোশাররফ হোসেন সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত হন। ৮ বছর আগে তিনি চাকরির সুবাদে সৌদিতে গিয়েছিলেন। দেশে তার বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ সংগ্রহ করতে শাহজালাল বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকের সামনে উপস্থিত হয়েছেন তার স্বজনরা। এ সময় তারা মোশাররফ হোসেনের স্মৃতিচারণ করে কান্না করেন। তখন পর্যন্ত মোশাররফ হো
ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সৌদি আরবের আলখারাজ এলাকায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের মরদেহ ঢাকায় এসেছে।
নিহত মোশাররফ হোসেন সখীপুর উপজেলার কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. সূরজত আলী।
জানা গেছে, সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে মোশাররফের মরদেহবাহী সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুর হক চৌধুরী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মোশাররফ হোসেন বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকে আসেন। তারা মোশাররফ হোসেনের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। মরদেহ সংগ্রহের পর তারা দুজন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
গত ৮ মার্চ মোশাররফ হোসেন সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত হন। ৮ বছর আগে তিনি চাকরির সুবাদে সৌদিতে গিয়েছিলেন। দেশে তার বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ সংগ্রহ করতে শাহজালাল বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকের সামনে উপস্থিত হয়েছেন তার স্বজনরা। এ সময় তারা মোশাররফ হোসেনের স্মৃতিচারণ করে কান্না করেন। তখন পর্যন্ত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ বিমানবন্দর থেকে বের করা হয়নি।
মোশাররফ হোসেনের চাচা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমি সার্বিক তত্ত্বাবধান করে মোশাররফ হোসেনকে সৌদি পাঠিয়েছি। যাওয়ার পর মাঝে মাঝে তার সঙ্গে কথা হতো। এ অবস্থায় তার মৃত্যু খুবই কষ্টের। এ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের কাছে আহ্বান জানাই।
What's Your Reaction?