দেশে জ্বালানির মজুত কত, চলবে যত দিন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের মজুতের মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিন এবং জেট ফুয়েল ৫৫ দিনের সমপরিমাণ রয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে জ্বালানি তেলের বিকল্প আমদানি বাজার খোঁজার বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে যে পরিমাণ মজুদ রয়েছে, তাতে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক কোনো সংকট নেই। তবে যদি অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে। বিপিসির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদ্যমান মজুত অনুযায়ী কিছু জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের মজুতের মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিন এবং জেট ফুয়েল ৫৫ দিনের সমপরিমাণ রয়েছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে জ্বালানি তেলের বিকল্প আমদানি বাজার খোঁজার বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে যে পরিমাণ মজুদ রয়েছে, তাতে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক কোনো সংকট নেই। তবে যদি অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে।
বিপিসির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদ্যমান মজুত অনুযায়ী কিছু জ্বালানির মজুদ ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইতোমধ্যে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, যার একটি থেকে তেল খালাসের কাজ শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরও ঘনীভূত হয়, তাহলে জ্বালানি তেল আমদানিতে নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
What's Your Reaction?