দেশে তেলের সংকট নেই, এটি সৃষ্টি করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই, বরং কিছু অসাধু মহলের অনৈতিক ব্যবসার কারণে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশে সরবরাহের জন্য তেলের সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। এ সমস্যাটা তৈরি করা হয়েছে। কিছু মানুষ এখানে অনৈতিক ব্যবসা শুরু করেছে। যে ব্যবসাটা দেশের জন্য জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু মানুষ তেল নিয়ে কালো বাজারে বিক্রি করছে, এটা করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্ম
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই, বরং কিছু অসাধু মহলের অনৈতিক ব্যবসার কারণে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশে সরবরাহের জন্য তেলের সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। এ সমস্যাটা তৈরি করা হয়েছে। কিছু মানুষ এখানে অনৈতিক ব্যবসা শুরু করেছে। যে ব্যবসাটা দেশের জন্য জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু মানুষ তেল নিয়ে কালো বাজারে বিক্রি করছে, এটা করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬২৮ টি পরিবারের মাঝে ১ বান ঢেউটিন ও ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। জেলা পরিষদ হতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ টি পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন, ৬০ টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা ও উন্নয়নকল্পে ৯০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলজিইডি উন্নয়নে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়।
What's Your Reaction?