দেড় বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে দেড় বছর পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিষিদ্ধ সংগঠন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের কর্মী এবং সরকারি মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান নাইম শহরের মেইন রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। নাইম পতাকা উত্তোলন ও বক্তব্যের ভিডিও তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। মুর্হূতে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, নাইমুর রহমান নাইম নামের ওই ছাত্রলীগ কর্মী একটি বাঁশে জাতীয় পতাকা বেঁধে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে উত্তোলন করছেন। এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‌‘আমি নাইমুর রহমান নাইম। টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দলের পক্ষ থেকে আজ টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে আমি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছি। আপনারা সবাই আমার পক্ষে থাকবেন, ধন্যবাদ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’ এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা এটি খতিয়ে দেখছি। ২০২৪ স

দেড় বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে দেড় বছর পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিষিদ্ধ সংগঠন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের কর্মী এবং সরকারি মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান নাইম শহরের মেইন রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

নাইম পতাকা উত্তোলন ও বক্তব্যের ভিডিও তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। মুর্হূতে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, নাইমুর রহমান নাইম নামের ওই ছাত্রলীগ কর্মী একটি বাঁশে জাতীয় পতাকা বেঁধে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে উত্তোলন করছেন। এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‌‘আমি নাইমুর রহমান নাইম। টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দলের পক্ষ থেকে আজ টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে আমি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছি। আপনারা সবাই আমার পক্ষে থাকবেন, ধন্যবাদ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা এটি খতিয়ে দেখছি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে কয়েক দফা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সেখানে অস্থায়ী চায়ের দোকান বসেছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow