দোহার-নবাবগঞ্জে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করলেন আবু আশফাক
ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। এতে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, শিল্পায়নসহ সার্বিক উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। ইশতেহারে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে বহু নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে আধুনিক, স্মার্ট ও উন্নত জনপদ গড়ে তুলতে কাজ করব। তার ঘোষিত পরিকল্পনায় শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ উন্নয়নে কার্যক্রম চালু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি স্থাপন এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, দোহার নবাবগঞ্জের কলেজগুলোতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য মাস্টার্স কোর্স চালুকরণসহ বিশ্ববিদ্যালয় তৈরীকরণ। স্বাস্থ্যসেবা খাতে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত, দোহার-নবাবগঞ্জকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা এবং স্
ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। এতে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, শিল্পায়নসহ সার্বিক উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।
ইশতেহারে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে বহু নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে আধুনিক, স্মার্ট ও উন্নত জনপদ গড়ে তুলতে কাজ করব।
তার ঘোষিত পরিকল্পনায় শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ উন্নয়নে কার্যক্রম চালু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি স্থাপন এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, দোহার নবাবগঞ্জের কলেজগুলোতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য মাস্টার্স কোর্স চালুকরণসহ বিশ্ববিদ্যালয় তৈরীকরণ।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত, দোহার-নবাবগঞ্জকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সড়ক, সেতু ও কালভার্ট সংস্কার ও নির্মাণ, ঢাকা শহরের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ফোর লেন রাস্তা করা এবং গ্রামীণ এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
কৃষি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের সহায়তা, কৃষি পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া তাত শিল্পের আধুনিকায়ন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন, নদী ভাঙন রোধ, গ্যাস ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নারী ও যুব উন্নয়ন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল গঠন, দোহার নবাবগঞ্জ কে ভয়াবহ মাদকের হাত থেকে মুক্তকরণ। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ রয়েছে।
খন্দকার আবু আশফাক বলেন, জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হবে।
তিনি উন্নত ও সমৃদ্ধ দোহার-নবাবগঞ্জ গড়ে তুলতে এলাকাবাসীর সমর্থন কামনা করেন।
What's Your Reaction?