দৌলতদিয়া পল্লীতে শ্রমিক দল নেতার মাদক কারবার, অডিও ভাইরাল 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এক শ্রমিক দল নেতার মাদক ব্যবসার স্বীকারোক্তির ফোনালাপের অভিও ভাইরাল হয়েছে। ওই শ্রমিক দল নেতার নাম মো. সুমন মোল্লা ওরফে চাঁদাই (৪৫)। তিনি গোয়ালন্দ উপজেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি ও গোয়ালন্দ ইমাম বাড়া শরীফের কোষাধ্যক্ষ। জানা গেছে, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বার কাউন্সিলের আইনজীবী মো. মকিম মণ্ডলের সঙ্গে সুমন মোল্লার একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে সুমন মোল্লাকে বিয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করতে শোনা যায়। তবে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকের ব্যবসার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ব্যবসায় তার আরও তিনজন সহযোগী রয়েছে, যদিও তাদের নাম প্রকাশ করেননি। এর আগে মকিম মন্ডল তার ফেসবুক পোস্টে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে সুমন মোল্লার বিয়ার ব্যবসা, ইয়াবার চালান আনা, বাড়ি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। সেই পোস্টের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ফোনালাপে এসব বিষয় উঠে আসে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর পল্লীর প্রভাবশালী এক নারীর বড় একটি বাড়ি কম মূল্যে কিনে বর্তমানে ওই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন সুমন মোল্লা

দৌলতদিয়া পল্লীতে শ্রমিক দল নেতার মাদক কারবার, অডিও ভাইরাল 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এক শ্রমিক দল নেতার মাদক ব্যবসার স্বীকারোক্তির ফোনালাপের অভিও ভাইরাল হয়েছে।

ওই শ্রমিক দল নেতার নাম মো. সুমন মোল্লা ওরফে চাঁদাই (৪৫)। তিনি গোয়ালন্দ উপজেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি ও গোয়ালন্দ ইমাম বাড়া শরীফের কোষাধ্যক্ষ।

জানা গেছে, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বার কাউন্সিলের আইনজীবী মো. মকিম মণ্ডলের সঙ্গে সুমন মোল্লার একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে সুমন মোল্লাকে বিয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করতে শোনা যায়। তবে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকের ব্যবসার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ব্যবসায় তার আরও তিনজন সহযোগী রয়েছে, যদিও তাদের নাম প্রকাশ করেননি।

এর আগে মকিম মন্ডল তার ফেসবুক পোস্টে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে সুমন মোল্লার বিয়ার ব্যবসা, ইয়াবার চালান আনা, বাড়ি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। সেই পোস্টের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ফোনালাপে এসব বিষয় উঠে আসে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর পল্লীর প্রভাবশালী এক নারীর বড় একটি বাড়ি কম মূল্যে কিনে বর্তমানে ওই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন সুমন মোল্লা। তার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বিচার-সালিশের নামে অর্থ আদায় এবং পল্লীর ভেতরে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত একটি চক্র পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ম্যানেজ করে তার বাড়িতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালানো হয়। 

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘সুমনের বিয়ার ব্যবসার বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে দেখেছি। সংগঠনের মধ্যে কোনো অনিয়মকারীকে রাখা হবে না। বিষয়টি জেলা নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. সুমন মোল্লার মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রাজবাড়ী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ‘ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow