দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য লুকিয়েছেন কমপক্ষে দুই প্রার্থী
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২১ প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের তথ্য হলফনামায় দিয়েছেন। কিন্তু কমপক্ষে দুইজন প্রার্থী সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য আছে। তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল বা আছে। তা সত্ত্বেও হলফনামায় উল্লেখ করেননি। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) টিআইবি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে টিআইবির নীতিমালার কারণে তাদের পরিচয় দিতে অপারগতা জানান ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা তথ্যগুলো জানাবো। ওই প্রার্থীদের বিষয়ে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা দুইজনই ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন বা আছেন; এই তথ্য তারা প্রকাশ করেননি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আরও এক প্রার্থীর ২১০ কোটি টাকার সম্পদ ইংল্যান্ডে আছে। তবে ওই সম্পদের তথ্য হলফনামায় প্রকাশ করা হয়নি। আরেক প্রার্থী নিজে ও তার স্ত্রীর নামে বিদেশে কোনো সম্পদ নেই ঘোষণা দিলেও, দুবাইতে তার স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে- একজন প্রার্থীর বিদেশে তিনটি ফ্ল্যাটের মালিকানা থাকার ঘোষণা দিলেও সংখ্যাটি কমপক্ষে তিন
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২১ প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের তথ্য হলফনামায় দিয়েছেন। কিন্তু কমপক্ষে দুইজন প্রার্থী সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য আছে। তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল বা আছে। তা সত্ত্বেও হলফনামায় উল্লেখ করেননি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) টিআইবি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে টিআইবির নীতিমালার কারণে তাদের পরিচয় দিতে অপারগতা জানান ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা তথ্যগুলো জানাবো।
ওই প্রার্থীদের বিষয়ে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা দুইজনই ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন বা আছেন; এই তথ্য তারা প্রকাশ করেননি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আরও এক প্রার্থীর ২১০ কোটি টাকার সম্পদ ইংল্যান্ডে আছে। তবে ওই সম্পদের তথ্য হলফনামায় প্রকাশ করা হয়নি। আরেক প্রার্থী নিজে ও তার স্ত্রীর নামে বিদেশে কোনো সম্পদ নেই ঘোষণা দিলেও, দুবাইতে তার স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে- একজন প্রার্থীর বিদেশে তিনটি ফ্ল্যাটের মালিকানা থাকার ঘোষণা দিলেও সংখ্যাটি কমপক্ষে তিনগুণ এবং বিনিয়োগের সম্ভাব্য পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। আরেকজন প্রার্থী বিদেশে নিজস্ব মালিকানায় কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকার কথা স্বীকার না করলেও অনুসন্ধানে মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার মধ্যে আটটিই বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যুক্ত। একজন প্রার্থীর করস্বর্গে কোম্পানির নিবন্ধন থাকার পুরোনো তথ্য অনেকটাই প্রকাশিত থাকলেও এ বিষয়ে হলফনামায় কোনো ঘোষণা দেখা যায়নি।
প্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে দুদক, এনবিআর ও ইসি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং কেওয়াইসি ড্যাশবোর্ড উন্মুক্ত করা হয়। টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর জাফর সাদিক, উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের উপস্থিত ছিলেন।
এসএম/এমআরএম
What's Your Reaction?